ত্রিদেশীয় সিরিজের নিমন্ত্রণ, সাড়া দেবে কি বাংলাদেশ?

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর আয়ারল্যান্ড সিরিজ, এরপরই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের(বিপিএল) মহারণ। যেন ক্রিকেটারদের দম ফেলার ফুরসত নেই। তবে এর মাঝেও হতে পারে আরও এক ত্রিদেশীয় সিরিজ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর আয়ারল্যান্ড সিরিজ, এরপরই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের(বিপিএল) মহারণ। যেন ক্রিকেটারদের দম ফেলার ফুরসত নেই। তবে এর মাঝেও হতে পারে আরও এক ত্রিদেশীয় সিরিজ। শ্রীলঙ্কা থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) কাছে এমনই এক প্রস্তাব এসেছে সম্প্রতি। তবে এই প্রস্তাব অবশ্য চিন্তায় ফেলেছে বিসিবিকে।

এশিয়া কাপ দিয়ে শুরু, এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এখন ঘরের মাঠে করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মোকাবিলা। যার সমাপ্তি ঘটবে এ মাসের শেষ দিনে। এরপরই ১০ দিনের ব্যবধানে আয়ারল্যান্ড আতিথেয়তা গ্রহণ করবে বাংলাদেশের।

দুই টেস্ট আর তিন টি-টোয়েন্টি দিয়ে সাজানো সিরিজ শুরু হবে ১১ নভেম্বর থেকে, শেষের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে ডিসেম্বরের দুই তারিখ। এখানেই যে শেষ নয়, আয়ারল্যান্ডের বিদায়ের পরই শুরু হবে বিপিএলের প্রস্তুতি। বিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এই ঘরোয়া আসরের।

আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং বিপিএলের সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী মাঝে ফাঁকা সময় আছে কেবল ১০ থেকে ১২ দিনের। এমন টাইট শিডিউলের মাঝেই আবার শোনা যাচ্ছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ড থেকে প্রস্তাব এসেছে সেখানে গিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার। যা হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।

এর সত্যতা যাচাই এবং ক্রিকেট বোর্ড এই সিরিজ নিয়ে এগোবে কিনা—এ ব্যাপারে জানতে খেলা ৭১ যোগাযোগ করে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সাথে। জিজ্ঞেস করা হয়, ক্রিকেট বোর্ড কী ভাবছে?

প্রতিউত্তরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের কাছে প্রস্তাব এসেছে। তবে যেহেতু একটা টাইট শিডিউল রয়েছে, তাই আলাপ-আলোচনা চলছে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বোর্ড।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি সারার জন্য এই সিরিজ হলে বাংলাদেশের জন্য মন্দ হতো না। তবে প্রশ্নটা—সময় কোথায়? বিসিবিও অবশ্য এই সিরিজ নিয়ে বেশ ইতিবাচক। আলোচনার টেবিলে সময়ের হিসাবটা মেলাতে পারলে মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা তাই থাকছেই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link