জাত ফিনিশার নাসিরের হাত ধরে ঢাকা ক্যাপিটালস পেল নিজেদের দ্বিতীয় জয়। ব্যাটে- বলে দিনটাকে রঙিন করে রাখলেন নাসির। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের দুর্দশার দিনকে আরও দুর্বিষহ করে তুললেন তিনি। হাঁকালেন দ্বাদশ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি।
এদিন টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। তার বোলাররা অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথাযথ সমর্থন জুগিয়ে গেলেন। মাত্র ৪০ রানের মাথায় পাঁচ-পাঁচটি উইকেট হারায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। আবারও লজ্জার স্কোর অপেক্ষায় ছিল তাদের জন্য। কিন্তু এ যাত্রায় তাদের বাঁচিয়ে দিলেন অধিনায়ক হায়দার আলি ও অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবি।
এই দুই ব্যাটার মিলে ৯০ রানের জুটি গড়েন। তাতে করে ১৩৩ রানের স্বল্প সংগ্রহ অবধি পৌঁছাতে পেরেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ঢাকা ক্যাপিটালসের ছয়জন বোলার একটি করে উইকেট বাগিয়ে নেন। এদের মধ্যে ছিলেন নাসির হোসেনও। তিন ওভারে ২৪ রান খরচায় মাজ সাদাকাতের উইকেট তুলে নেন তিনি।

১৩৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার শুরুটাও ভাল হয়নি। ১৪ রানের মাথায় দুই উইকেট হারায় দলটি। এরপরের দৃশ্যপট জুড়ে নাসির হোসেনের একচ্ছত্র আধিপত্য। ঢাকা ক্যাপিটালসের উপর সৃষ্টি হওয়ার চাপকে হাওয়ায় মিলিয়ে দেন তিনি স্রেফ ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে।
তবে ফিফটি হাঁকিয়ে ক্ষান্ত হয়ে যাননি নাসির। দলের জয় নিশ্চিত করতে টিকে ছিলেন একেবারে শেষ অবধি। একটা পর্যায়ে তো মনেই হচ্ছিল তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন শতকের মাইলফলক। কিন্তু পর্যাপ্ত রান না থাকায়, তাকে থামতে হয়েছে ৯০ রানে। ৫০ বলের সেই ইনিংসটিই ঢাকার জয়ের রাস্তা সুগম করেছে। ফিনিশিং টাচে ইমাদ ওয়াসিম যুক্ত করেন ১৬ বলে ২৯ রান।
তাতে করে সাত উইকেট ও ৩৫ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় ঢাকা ক্যাপিটালস। এই জয়ে তারা যেন ফিরে পেল লড়াই করবার মনস্তাত্ত্বিক ছবি। বর্তমানে টেবিলের পাঁচ নম্বর অবস্থানে থাকলেও, তাদের প্লে-অফ নিশ্চিত সুযোগ একেবারেই হাতছাড়া হয়ে যায়নি। নাসিরের কল্যাণে ঢাকা ক্যাপিটালসের প্লে-অফের আশা বেশ ভালভাবেই বেঁচে আছে এখনও অবধি।












