মাত্র ৬৫ ম্যাচেই বিরাটকে ছাড়িয়ে গেলেন হেড!

অ্যাশেজের শেষ ম্যাচে সিডনিতে হেড রচনা করেছেন ১৬৩ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস। জিতেছেন ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কারটাও। আর সেই সুবাদেই টেস্ট ক্রিকেটে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের সংখ্যায় আধুনিক ক্রিকেটের মহারাজা বিরাট কোহলিকেও ছাড়িয়ে গেলেন ট্রাভিস হেড। 

বর্তমান সময়ে তিন ফরম্যাটেই দাপট দেখানো গুটি কয়েক ব্যাটারদের মধ্যে উপরের দিকেই থাকবে ট্রাভিস হেডের নাম। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাওয়ার-প্লে কাজে লাগানো, আক্রমণাত্মক ব্যাটিং। ওয়ানডেতেও প্রতিপক্ষকে একাই ম্যাচ থেকে বের করে দেওয়ার দক্ষতা। বলের রঙ বদলালেও, বদলান না হেড। যার টাটকা প্রমাণ সদ্য সমাপ্ত অ্যাশেজ সিরিজ।

অ্যাশেজে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে এক প্রকার ধবল ধোলাই করেছে অস্ট্রেলিয়া। আর ব্যাট হাতে অস্ট্রেলিয়ান ঘাটির সবচেয়ে নিপুণ সৈন্যের পরিচয় দিয়েছেন ট্রাভিস হেড। ১০ ইনিংসে প্রায় ৬৩ গড়ে সর্বোচ্চ ৬২৯ রান করেছেন হেড। শেষ ম্যাচে সিডনিতে রচনা করেছেন ১৬৩ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস।

জিতেছেন ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কারটাও। আর সেই সুবাদেই টেস্ট ক্রিকেটে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের সংখ্যায় আধুনিক ক্রিকেটের মহারাজা বিরাট কোহলিকেও ছাড়িয়ে গেলেন ট্রাভিস হেড।

এর আগে লাল বলের ক্রিকেটে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের সংখ্যায় সমান   ছিলেন বিরাট ও হেড। দুজনেরই ছিল ১০টি করে।  তবে অ্যাশেজের শেষ ম্যাচে এমন অতিমানবীয় ইনিংসের কারণে ১১টি ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার নিয়ে বিরাটকে ছাড়িয়ে যান হেড।

উল্লেখ্য যে, মাত্র ৬৫টি টেস্ট ম্যাচেই ১১টি প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ নিজের করে নেন হেড। সেই প্রেক্ষিতে টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ম্যাচ সেরার পুরষ্কার সংখ্যা এখন গ্লেন ম্যাকগ্রা কিংবা এলান বোর্ডারদের মতো কিংবদন্তিদের সমান।

এখন তাঁর সামনে রয়েছেন স্টিভ স্মিথ,  স্টিভ ওয়াহ, রিকি পন্টিং, এবং শেন ওয়ার্নের মতো মহাতারকাদের নাম। ব্যাট হাতে এভাবে শাসন চালিয়ে গেলে অদূর ভবিষ্যতে যে তাঁদেরকেও ছুঁয়ে ফেলার যোগ্যতা রাখেন হেড, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link