বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কটের ফলে আইসিসির নব্য প্রকাশিত ফিক্সচার অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে স্কটল্যান্ডকে সবচাইতে সৌভাগ্যবান দল বললে সঠিক বৈকি ভুল হবে না। এবারই প্রথম নয়, তার আগেও নিজ যোগ্যতা ছাড়াই অন্য দলের প্রতি অবিচারের ফলে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ মেলে স্কটল্যান্ডের।
এর আগে ২০০৯ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ভিসা জটিলতায় জিম্বাবুয়ের পরিবর্তে বিশ্বকাপে সুযোগ পায় স্কটিশরা। ১৭ বছর বাদে এসে আবারও যেন পুনরাবৃত্তি ঘটলো ইতিহাসের।
অদ্ভুতুরে নিয়মে ভরা আইসিসির উল্লেখযোগ্য একটি নিয়ম হলো – যোগ্যতাপ্রাপ্ত কোনো দেশ যদি বিশ্বকাপে অংশ নিতে না চায় তাহলে বিশ্বকাপের বাইরে থাকা দলগুলোর মধ্যে র্যাংকিং এ সবচেয়ে ওপরে থাকা দলটিই তাদের পরিবর্তে বিশ্বকাপে অংশ নিবে। আর সেই নিয়মের সুবাদেই বাছাই পর্বে ইতালি কিংবা জার্সির মতো দলের সাথেও হারা স্কটিশদের দেখা যাবে বিশ্বমঞ্চে।

রিচি বেরিংটনের নেতৃত্বাধীন এই দলটি ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে বাজে পারফরম্যান্স এর ফলে নেদারল্যান্ডস, ইতালি এমনকি জার্সির মতো দলেরও পেছনে অবস্থান করে। ওই অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় ইতালি ও নেদারল্যান্ডস।
কিন্তু ইতিহাস বলে ভাগ্য যেন বরাবরই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের এই দলটিকে। ভারতীয় আধিপত্যের কারণে বাংলাদেশের ন্যায্য দাবি না মানায়, ২০০৯ সালের মতো এবারও কপাল খুললো স্কটল্যান্ডের।
বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে গ্রুপ ‘সি’ তে। সেখানে তাদের সঙ্গী হিসেবে থাকছে ইংল্যান্ড, নেপাল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইতালি। সাত ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড।











