শেষ দুই ওভারে ৩৩ রান দরকার তখনও। বাস্তবতা বলছে ভীষণ কঠিন। জিততে হলে অবিশ্বাস্য কিছু চায়। নুরুল হাসান সোহান সেই অবিশ্বাস্য কিছুই করলেন। এক ওভারে চার ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের ভাগ্য লিখলেন নিজের হাতে।
ধুমকেতু একাদশ পুরো ম্যাচের লাগাম টেনে রেখেছিল। শুরু থেকে শেষ তাদের দাপট তাকিয়ে দেখেছে দূর্বার একাদশ। শুধু ব্যতিক্রম ছিলেন সোহান। তিনি ১৮ ওভার পর্যন্ত মেপে গেলেন সবকিছু। হিসাব করে চালিয়ে গেলেন ব্যাট।
৩৭ বলে ৪৯ রান তখন। মনে হচ্ছিল সোহানের চেষ্টা সেটা বৃথায় যাবে। ১২ বলে যে দরকার ৩৩ রান। মিরপুরের উইকেটে সেটা যে এক দুষাধ্য কাজই বটে। তবে নায়করা তো সব অসম্ভবকে সম্ভব বানায়। সোহান কেবল নায়কের ভূমিকায় পালন করলেন। ১৮তম ওভারে সবকিছু বদলে দিলেন।

এক হালি ছক্কা। শরিফুল ইসলাম দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি হয়তো এমন দিনটা দেখবেন তিনি। অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে দলের পরাজয়ের দায়ভার নিজের কাঁধে নিতে হলো তাঁকে। সোহানের ঝড়ের সামনে আর কিইবা করার ছিল তাদের।
শেষ ওভারে গিয়ে ঠেকল সাত রান। ম্যাচটা তখন দূর্বারের পকেটেই চলে এসেছে। জয়ের বন্দরে দলকে এনে দিয়েও শেষ পর্যন্ত থাকা হয়নি সোহানের। ৪৪ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলে রান আউটে কাটা পড়তে হয় তাকে। চার চার আর ছয় ছক্কায় ব্যাট করে গেছেন ১৭২ স্ট্রাইক রেটে। দলকে জেতানোর কাজটা করেছেন একা হাতে।
শেষপর্যন্ত বাউন্ডারি হাঁকিয়েই ম্যাচ বাগিয়ে নিয়েছে দূর্বার একাদশ। জয়ের উল্লাসে ভেসেছে তারা। যার পেছনের নায়ক যে সোহানই। একটু ভুল হলো বোধহয়, নায়ক নয়, ম্যাচ জয়ের মহানায়ক সোহানই।

Share via:











