নির্বাচকরা শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ দলে একটা পরিবর্তন আনতে চলেছিলেন। সেই পরিবর্তনটা হতেন নাজমুল হোসেন শান্ত। নুরুল হাসান সোহানের জায়গা হারাতেন। গ্লানি মোচনের একটা সুযোগ পেয়েও হারালেন শান্ত। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি। অন্য যে কারও চেয়ে তাই শান্তর আক্ষেপটা বেশি।
২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুর্দশা তাকে টি-টোয়েন্টি দল থেকে দূরে সরে দিয়েছিল। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্রেফ ৯৫.৭২ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করেছিলেন শান্ত। বর্তমান সময়ে এই স্ট্রাইক রেটে ওয়ানডে ব্যাটিংকেও কাঠগড়ায় তোলা হয়। স্বাভাবিকভাবেই তাই শান্তর ছিটকে যাওয়া ছিল অবধারিত।
২০২৫ সালের মে মাসে তিনি সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন। এরপর ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে করা টি-টোয়েন্টি দলের পরিকল্পনায় শান্তকে রীতিমত ছুড়ে ফেলা হয়। এরপর বিশ্বকাপের ঠিক আগের মুহূর্তে দূর্দান্ত পারফরমেন্সে তিনি মাতিয়ে তুলেছিলেন বিপিএলের মঞ্চ।

একটি সেঞ্চুরিসহ ৩৫৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। ১৩৫.৪৯ স্ট্রাইকরেটে চলেছে তার ব্যাট। রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সকে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছেন তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বকাপগামী বিমানে তাঁকেই পাঠানোর জন্য মনস্থীর করে ফেলেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। কিন্তু, ভারতের নিরাপত্তাজনিত ইস্যুতে বিশ্বকাপেই নেই বাংলাদেশ।
শান্তর ফেরার পথ সুগম করে দেয় সোহানের অফ অর্ম । রংপুর রাইডার্সের জার্সিতে রীতিমত ভুলে যাওয়ার মত একটা মৌসুম পার করেছেন সোহান। ৮ ইনিংসে ৪৯ রান সংগ্রহ করেছেন তিনি। স্ট্রাইকরেট ছিল স্রেফ ৮৪.৪৮। নির্বাচকদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া তাই অনেক সহজ ছিল।
তবে, শেষ অবধি প্রত্যবর্তনের মঞ্চটা পাওয়া হয়নি শান্তর। তবে, এই আফসোসই হয়ত বনে যেতে পারে তার জন্য নতুন দিনের অনুপ্রেরণা!












