ডি ককের ব্যাট এখন রান মেশিন!

'দ্য বেবি ফেস অ্যাসাসিন' ইজ ব্যাক। কুইন্টন ডি কক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো ফিরে এসেছেন এই বিশ্বকাপটার জন্যই। আর এসেই জাগিয়ে তুলেছেন   নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ভয়ঙ্কর সেই রানের ক্ষুধাটা। যার মূল্য চোকাতে হলো আফগানিস্তানকে। রশিদ খানরা দেখল ডি কক কতটা খতরনাক এখনও। 

‘দ্য বেবি ফেস অ্যাসাসিন’ ইজ ব্যাক। কুইন্টন ডি কক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো ফিরে এসেছেন এই বিশ্বকাপটার জন্যই। আর এসেই জাগিয়ে তুলেছেন   নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ভয়ঙ্কর সেই রানের ক্ষুধাটা। যার মূল্য চোকাতে হলো আফগানিস্তানকে। রশিদ খানরা দেখল ডি কক কতটা খতরনাক এখনও।

ব্যাটটা যেন পরিণত হয়েছে এক রান মেশিনে। উইকেটটাও যেন তার জন্যই অপেক্ষায় থাকে। ডি কক ক্রিজে আসবেন, রানের ফোয়ারা ছড়িয়ে প্রতিপক্ষকে গুড়িয়ে দিয়ে সাজঘরে ফিরবেন, আপাতত তাঁর কাজ মূলত এটাই। যেমনটা আফগানদের বিপক্ষে করলেন।

গ্রুপ অব ডেথ, তবে আফগানরা হারলেই কার্যত শেষ হয়ে যাবে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা। অর্থাৎ গ্রুপ অব ডেথের গল্প এখানেই শেষ। এই শেষ করার কাজের শুরুটা করলেন ডি কক। ১২ রানের মাথায় এইডেন মার্করামকে হারিয়েছিল আফ্রিকা। তাতে অবশ্য কোন ক্ষতি হতে দিলেন না ডি কক।

রায়ান রিকেলটনকে সাথে নিয়ে আফ্রিকার রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করলেন যেন। আগ্রাসন, সৌন্দর্য আর নির্মমতার গল্প লিখলেন ব্যাট দিয়ে। আফগান বোলাররা অসহায় হতে বাধ্য হলো ডি কক নামক পাহাড় টলাতে না পারায়।

ফিফটি তুলে ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন, শেষমেষ থামলেন ৪১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে। ওটাই যে এক বার্তা হয়ে কানে বাজল সবার। ডি কক তো এইজন্যই অবসরকে ছুটি দিয়ে ক্রিকেটে ফিরেছেন, প্রিয় দলের জার্সি গায়ে চাপিয়ে রান তোলার উৎসবে মেতেছেন। নিজেকে ফের প্রমাণ করার মঞ্চ হিসেবে এই বিশ্বকাপটাকেই বেছে নিয়েছেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Share via
Copy link