‘ওখান থেকে এখানে আজব লাগতেছেরে।’ চিরচেনা ড্রেসিংরুমে এখন আর জায়গা হয় না রোহিত শর্মার। বিশ্বকাপের ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর, গায়ে নেই ভারতের নীল জার্সি। বিশ্বকাপ জয়ের সুখস্মৃতি আজ অতীত হয়েছে সময়ের পরিক্রমায়। তবে এখনও যে তিনিই আছেন ক্যাপ্টেন হয়ে।
তাই তো রোহিতকে দেখে সুরিয়াকুমার যাদব এগিয়ে এলেন, করমর্দন করে জানতে চাইলেন, ‘ব্যাটিং নাকি বোলিং নেওয়া উচিত?’ রোহিতও চটজলদি বললেন, ‘তোমার ফিল্ডিং নিতে হবে।’ কাগজে-কলমে রোহিত কোথাও নেই ঠিকই, তবে তাঁর অধিনায়ক সত্তাটা যে এখনও সবার মনেই আছে।
এখন আর গায়ে নেই ভারত টি-টোয়েন্টি দলের জার্সি। কীর্তিগুলোও আজ অতীত হয়েছে। তবে তাতে কি! এখনও যে তিনি দলের মধ্যমণি হয়ে আছেন রোহিত শর্মা।

গত বিশ্বকাপে ভারতকে এনে দিয়েছেন টি-টোয়েন্টির বিশ্বচ্যাম্পিয়ন টাইটেল। মাঠে আগলে রেখেছেন ১১ জনকে। উইকেট পেলে বুকে টেনে নিয়েছেন, খেই হারিয়ে ফেললে নেতার মতো পথ খুঁজে দিয়েছেন। এরপরই বিদায় জানিয়ে দিয়েছিলেন রোহিত।
সময় চলেছে তার মতো করে। রোহিতের শূন্যস্থান পূরণ হয়েছে। ভারত আরও এক বিশ্বজয়ের মিশনে। রোহিত শর্মা নামটা এখন ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে।
সেই সুবাদে ভারত ম্যাচের আগে চিরচেনা ওয়াংখেড়ের বুকে পা রেখেছিলেন রোহিত। আর মাঠে আসতেই গ্যালারি ভর্তি দর্শক থেকে শুরু করে সতীর্থরা—সবাই যেন মেতে উঠল তাঁকে নিয়ে। হার্দিক বুকে জড়িয়ে নিলেন, ইশান কিষাণ ক্যাপ্টেনের কাছে ছুটে এলেন। কুলদ্বীপ যাদবের গালে হাত বুলিয়ে দিলেন।

সবার মাঝেই রোহিত এসেছেন নেতা হয়েই। আগলে রাখছেন আগের মতো করে। সময় তো ফুরাবেই, তবে যে ছাপটা রেখে যাবে সেটা তো অমলিন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম তেমনই এক ছাপের সাক্ষী হয়ে রইল, খেলোয়াড়রা বুঝিয়ে দিলেন, রোহিত এখনও তাঁদের ক্যাপ্টেন।
Share via:











