অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলে স্মিথ, কিন্তু কেন?

সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি স্টিভেন স্মিথ খেলেছিলেন ২০২৪ সালে। দুই বছর পর তার আবারও ডাক এলো, সরাসরি বিশ্বকাপ দলে। এমনটা সাধারণত করতে দেখা যায় অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে। যদিও ইনজুরির কারণে বদলি হিসেবেই স্মিথ সংযুক্ত হয়েছেন দলের সাথে, তবে এক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে স্মিথের সাম্প্রতিক বিগ ব্যাশের ফর্ম।

অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক মিচেল মার্শ চোটে পড়েছেন। আর তাতেই কপাল খুলেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভেন স্মিথের। মার্শের ইনজুরি প্রথমে স্বাভাবিক মনে হলেও, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ধরা পরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ। কার্যত তার বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা শেষ। তাইতো তড়িঘড়ি করে স্টিভেন স্মিথকে যুক্ত করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া দলে।

দুই বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি দলের ধারেকাছে ছিলেন না স্মিথ। এমনকি ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও তিনি খেলেননি। এমন একজন খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করায় খানিকটা প্রশ্নের উদ্রেক ঘটাচ্ছে বটে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান বিগ ব্যাশে নজর রাখা সকলেরই নিশ্চয়ই জানা, স্মিথ ছিলেন কি দূর্দান্ত ফর্মে!

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ শেষ করে তিনি খেলতে নেমেছিলেন সিডনি সিক্সার্সের হয়ে। মাত্র ছয় ম্যাচ খেলেছেন দলটির হয়ে। আর এই ছয় ম্যাচেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ রেখে নির্বাচকদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন। প্রায় ১৬৮ গড়ে রান করেছেন তিনি সর্বশেষ বিগ ব্যাশে।

একটি সেঞ্চুরি ও দুইটি হাফসেঞ্চুরি সমন্বয়ে ২৯৯ রান তুলে ফেলেন নিজের নামের পাশে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা যে একেবারেই ভুলে যাননি, বরং বর্তমান সময়ের সাথে যথাযথ তালমেলাতে সক্ষম তিনি- সেটাই প্রমাণ করেছেন সিডনি সিক্সার্সের জার্সি গায়ে। তাইতো মিচেল মার্শের ছিটকে যাওয়ার সাথে সাথে অভিজ্ঞতা ও সাম্প্রতিক ছন্দময় আগ্রাসী ব্যাটিং বিবেচনায় তাকে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে বিশ্বকাপের দলে।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link