আট রানেই নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই উইকেট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতেই পারবে না ক্যারিবিয়ানরা। এমনটাই মনে হয়েছিল ইনিংসের একেবারে শুরুর দিকটায়। কিন্তু ইনিংস শেষে ক্যারিবিয়ানদের স্কোরবোর্ডে ১৯৬ রান। কারিগর শেরফেন রাদারফোর্ড নামক এক লেফট হ্যান্ডার।
যত যাই হোক, আক্রমণ আক্রমণ আর আক্রমণ- এটাই যেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং ইউনিটের মূলমন্ত্র। তবে আক্রমণের স্থায়িত্বকাল মাঝেমাঝে একটু দীর্ঘ হওয়া প্রয়োজন। ইংল্যান্ড যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের টুঁটি চেপে ধরতে চেয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে রাদারফোর্ড ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। কিন্তু আক্রমণাত্মক মানসিকতাকে বানিয়ে ফেললেন খঞ্জর।

ব্যাস, ইংরেজ বোলারদের ঘূর্ণি-গতির বুকে আঘাত করে তিনি এগিয়ে যেতে থাকেন দূর্বার গতিতে। স্টপওয়াচের মিলিসেকেন্ডের গতিতে রান জমা হতে শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে। পাশাপাশি উইকেট পতনের মিছিলের সামনে দাঁড়িয়ে একটা প্রান্ত আগলে রাখলেন। ঢাল আছে, সেই আনন্দে জেসন হোল্ডার চালিয়ে গেলেন স্বল্প সময়ের তাণ্ডব।
১৭ বলে ৩৩ রান জমা করে তিনিও ফেরেন প্যাভিলিয়নে। তখনও ঠায় দাঁড়িয়ে শেরফেন রাদারফোর্ড। ইনিংসের শেষ বলে জেমি ওভারটনকে ছক্কা হাঁকিয়ে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন রাদারফোর্ড। ততক্ষণে তার নামের পাশে জুড়ে গেছে ৭৬ রান। ৪২ বলের ইনিংসটিতে চারের তিনগুণ বেশি ছক্কা হাঁকিয়েছেন বা-হাতি এই ব্যাটার।

স্রেফ দুইটি চারের বিপরীতে সাত সাতটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন রাদারফোর্ড। তার এমন সংগ্রামী তবুও আগ্রাসী ইনিংসের কল্যাণেই ১৯৬ রানের বিশাল পুঁজি পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নতুবা আরও আগেই থমকে যেতে পারত সবকিছু। উইকেট পতনের ধারাতে ব্যাঘাত ঘটানো থেকে শুরু করে ইনিংস গড়া ও সুউচ্চ ইমারত গঠনের পাতাটন হওয়া মোটেও নয় চাট্টিখানি কথা। এই সবগুলোই একা হাতে সামলেছেন রাদারফোর্ড।











