ইংল্যান্ডের বুকে কাঁপন ধরিয়েই হারল ইতালি!

প্রতাপশালী ইংল্যান্ডের বুকে রীতিমতো কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল ইতালি, বেন মানেনতি-গ্রান্ট স্টুয়ার্টরা লড়াই করেছে চোখে চোখ রেখে। শেষপর্যন্ত হাতছোঁয়া দূরত্বে এসেও ইতিহাস ছোঁয়া হয়নি ইতালির, পুড়তে হয়েছে ২৪ রানের আক্ষেপে।

প্রতাপশালী ইংল্যান্ডের বুকে রীতিমতো কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল ইতালি, বেন মানেনতি-গ্রান্ট স্টুয়ার্টরা লড়াই করেছে চোখে চোখ রেখে। শেষপর্যন্ত হাতছোঁয়া দূরত্বে এসেও ইতিহাস ছোঁয়া হয়নি ইতালির, পুড়তে হয়েছে ২৪ রানের আক্ষেপে।

জিততেই হবে এমন সমীকরণ, টস জিতে ব্যাটিংটাই বেছে নিয়েছিল ইংল্যান্ড। পাওয়ার প্লে-তে দুই উইকেট হারিয়ে তোলে ৫৬ রান। তবে মাঝের সময়টাতে ইতালি ম্যাচে ফিরে আসে। লাগাম টেনে ধরে ইংলিশদের স্কোরকার্ডে। ১০৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড রীতিমতো ধুঁকছে তখন। ইতালির সামনে চিকচিক করে উঠছে সম্ভাবনা।

তবে সেই সম্ভাবনা নিমিষেই শেষ হয়ে যায় উইল জ্যাকসের ঝড়ে। ঝড়ো ফিফটি হাঁকিয়ে এক লহমায় বদলে দেন দৃশ্যপট। শেষমেশ ইংল্যান্ড পায় ২০২ রানের বিশাল পুঁজি।

ইতালির জন্য এই রান চেজ করা কষ্টসাধ্য। তবে দলটার যে হারানোর কিছুই নেই। তাই তো দুই রানে দুই, ২২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলা ইতালি লড়াই চালাল বুক চিতিয়ে। যার সূচনা করেছিলেন বেন মানেনতি। ইংলিশ বোলারদের সৃষ্ট করা চাপের বলয় ভেদ করে গর্জে উঠল তাঁর ব্যাট।

মাত্র ২২ বলেই ফিফটি হাঁকালেন, ইংল্যান্ডের বুকে কাঁপন ধরিয়ে বিদায় বললেন ৬০ রানে। ১১৪ রানের মাথায় তিনি যখন সাজঘরের পথে হাঁটলেন, জয়ের সম্ভাবনাও তাঁর সাথেই চলে গেল। ১৩৮ রানের মাথায় সাত উইকেট হারিয়ে প্রায় সব শেষ যখন ইতালির, তখনই আবার দৃশ্যপটে হাজির হলেন গ্রান্ট স্টুয়ার্ট।

তিনি যেন এক অসম্ভবকে সম্ভব করতে চাইলেন। ইতালির স্বপ্নযাত্রাকে আরও দূরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় দেখা দিল চোখেমুখে। শেষ দুই ওভারে হিসাব নিয়ে এলেন দুই ওভারে ৩০। তবে এই পথ পাড়ি দেওয়া হলো না ইতালির। ২৪ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল তারা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link