রলফ ভ্যান ডার মারউই ভারতের বিপক্ষে বনে গেলেন উড়ন্ত বাজপাখি। চোখ ধাঁধানো ক্যাচে বয়সের ভারকে তিনি বানিয়ে ফেললেন ভীষণ পলকা। বয়স কেবল একটা সংখ্যা।
তিলক ভার্মার আগ্রাসী শট। লং অফে ক্যাচ উঠল। মারউই দৌড়ে গেলেন। প্রায় এক্সট্রা কাভারের কাছাকাছি স্থানে বল মাটিতে পড়বে পড়বে অবস্থা। এমন সময়ে শরীরকে পুরো ছুড়ে দিলেন রলফ ভ্যান ডার মারউই। সেই ক্যাচ যে তিনি ধরতে পারবেন, সেটা কেউই বিশ্বাস করেনি। খোদ নেদারল্যান্ডসের ডাগআউটে বিস্ময়ের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে গেছে। এই ক্যাচ মারউই ধরেছেন!

ইনিংসের নবম ওভারের শেষ বল। লোগান ভ্যান বিক বোলিং প্রান্তে। তিন বল আগেই সহজ একটা ক্যাচ মিস হয়েছে। ব্যাটার অবশ্য ছিলেন সুরিয়াকুমার যাদব। তবে সেই উইকেট তুলে নিতে পারলে চাপে ফেলা যেত ভারতকে। মাইকেল লেভিট একেবারে হাতের মুঠোর ক্যাচ ফেলে দিয়ে ডাচদের হতাশ করলেন।
কিন্তু ৪১ বছর বয়সী মারউই হতাশ করলেন না। লোগান ভ্যান বিকের অফ স্ট্যাম্পের বাইরের ফুলার বলটাকে বাউন্ডারির বাইরে পাঠানোর জন্য শট খেলেন তিলক। এক্সট্রা কাভারের ঐ জায়গাটা খালি ছিল। তিনি নিশ্চিত চার ধরে ফেলেছিলেন হয়ত। কিন্তু তাকেও চমকে দিয়ে বলের প্রায় কাছাকাছি স্থানে মারউই পৌঁছে যান।

এরপর হাওয়ায় বিলীন করে দেন নিজের শরীরকে। দুই হাতে শক্ত করে তালুবন্দী করেন বল। এরপর মাটি থেকে উঠেই নিজের ডাগআউটের দিকে তাকিয়ে তিনি উদযাপন করলেন নিজের দারুণ ক্যাচ, আর যেন বলতে চাইলেন, ‘কি ভেবেছিলেন? আমি ছেড়ে দেব!’ হয়ত তাই ভেবেছিল দলের বাকিরা। বয়স তো আর কম না। তার প্রায় অর্ধেক বয়সী লেভিট সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন, মারউই তাই অবিশ্বাস্যের জন্ম দিয়েছেন।











