দক্ষিণ আফ্রিকার চারে চার!

করবিন বশের আগুনঝরা বোলিং, সাথে ব্যাটারদের সম্মিলিত প্রয়াস, তাতেই গ্রুপ পর্বে অক্ষুণ্ণ রইল দক্ষিণ আফ্রিকার দাপট, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ধরাশায়ী করল ছয় উইকেটে হারিয়ে। সেই সাথে অপরাজিত তকমা গায়ে লাগিয়েই সুপার এইট মিশনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে নিল প্রোটিয়া শিবির।

করবিন বশের আগুনঝরা বোলিং, সাথে ব্যাটারদের সম্মিলিত প্রয়াস, তাতেই গ্রুপ পর্বে অক্ষুণ্ণ রইল দক্ষিণ আফ্রিকার দাপট, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ধরাশায়ী করল ছয় উইকেটে হারিয়ে। সেই সাথে অপরাজিত তকমা গায়ে লাগিয়েই সুপার এইট মিশনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে নিল প্রোটিয়া শিবির।

নিয়মরক্ষার ম্যাচ। এদিন দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংটাই বেছে নিয়েছিল আফ্রিকা। ব্যাট করতে নামা আরব আমিরাত শুরুর দিকে লড়াইয়ের এক বার্তা দিয়েছিল ঠিকই, তবে সেনাপতি মোহাম্মদ ওয়াসিমের ফেরার পর খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেনি। চারদিক দিয়েই প্রোটিয়া শিবির চেপে ধরেছিল তাদের।

এক আলিসান শারাফু ছাড়া বলার মতো কিছুই করতে পারেনি আমিরাতের আর কোনো ব্যাটার। শারাফুর ব্যাট থেকে আসে ৪৫ রান। ওটাই সর্বোচ্চ। অবশ্য প্রোটিয়া বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপরীতে আর কী-ই বা করার ছিল। বিশেষ করে করবিন বশের জ্বলে ওঠার দিনে। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে দিয়েছেন মাত্র ১২ রান, তবে ঠিকই ফিরিয়েছেন তিন ব্যাটারকে। সেট হওয়ার আগেই ছেঁটে ফেলেছেন গোড়া থেকে।

অগত্যা আরব আমিরাত ১২৩ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় আফ্রিকার উদ্দেশে। ফর্মে তুঙ্গে রয়েছে সবাই, সুপার এইট নিশ্চিত আগেভাগেই। পরাজয়ের লাল কালি এখনও নামের পাশে পড়েনি। এমন একটা দলের সামনে এই রান নিতান্তই তুড়িতে উড়িয়ে দেওয়ার মতোই। যদিও দ্বিতীয় শো শুরু হতে একটু দেরি হলো। বৃষ্টি এসে কেড়ে নিল কিছুটা সময়।

তবে এরপরই মাঠে ফিরল খেলা, রাজত্ব শুরু করল প্রোটিয়া ব্যাটাররা। কুইন্টন ডি কক কিছুটা শান্ত থাকলেন বটে, তবে ঝড় তুললেন এইডেন মার্করাম। রায়ান রিকেলটনও আগ্রাসন দেখালেন। আর শেষটাতে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ফিনিশিং টাচ। তাতেই ছয় উইকেট হাতে রেখে অতি সহজেই জয়ের বন্দরে তরী ভেড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link