উইকেট লাগলেই ভারত বরুণকে ডাকে

বরুণ চক্রবর্তী সত্যিকারের গেম চেঞ্জার। নেদারল্যান্ডস ভারতের জন্য গলার কাঁটা হওয়ার মত নয়। তবুও পচা শামুকে পা কাটতে কতক্ষণ!

২৬ বলে ৪৩ রানের পার্টনারশীপ একটু হলেও শঙ্কা জাগাচ্ছিল ভারতের জন্য। কিন্তু যখন দলে থাকেন বরুণ চক্রবর্তী, তখন আর চিন্তা কি! বরুণ এলেন, বরুণ উইকেট তুলে নিলেন, বরুণ দুশ্চিন্তার মেঘকে দূরে ঠেলে দিলেন।

বরুণ চক্রবর্তী সত্যিকারের গেম চেঞ্জার। নেদারল্যান্ডস ভারতের জন্য গলার কাঁটা হওয়ার মত নয়। তবুও পচা শামুকে পা কাটতে কতক্ষণ। কিন্তু প্রয়োজনের মুহূর্তে প্রতিবারই বরুণ এগিয়ে এসেছেন। রহস্যের ধুম্রজাল সৃষ্টি করে ব্যাটারদেরকে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ তিনি।

এদিনও হল না ব্যতিক্রম। কলিন অ্যাকারম্যানকে তিনি তেমনই এক প্রলোভন দিয়ে বড় শট খেলতে বাধ্য করলেন। অ্যাকারম্যান খেললেনও সেই শট। এরপর ডিপ মিডউইকেটে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে উঠে যায় সহজ ক্যাচ। তার পরের বলেই গুগলিতে তিনি বোল্ড করেন আরিয়ান দত্তকে।

ইনিংসের ১৩তম ওভারে এসে পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন বরুণ। সেই ওভারে খরচ করেন চার রান। তার আগে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে ডাচদের ওপেনিং জুটিতেও ভাঙন ধরিয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী। ৩৫ রানের সেই জুটিতে ভারতের মত পরাশক্তিকে হারিয়ে দেওয়ার ব্রতই সম্ভবত নিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু বরুণ হতে দেননি।

নতুন বলে জাসপ্রিত বুমরাহ যদি হন ত্রাসের সম্রাট, তো মিডল ওভারগুলোতে বরুণ দলটির জন্য আশির্বাদ। প্রায় প্রতিটা ম্যাচেই তিনি নিজের ভেল্কি দেখিয়ে দলের জন্য সর্বোচ্চ অর্জনটা নিশ্চিত করে যান।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link