চ্যালেঞ্জ জানালেও অভিজ্ঞতায় হারল ইতালি

ম্যাচটা নিয়ম রক্ষার হলেও, ইতালি ভালই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তবে সেটা বল হাতে। ব্যাট হাতে মোসকা কিংবা মানেন্তি ভাতৃদ্বয় কোন প্রকার লড়াই চালাতে পারেননি।

ম্যাচটা নিয়ম রক্ষার হলেও, ইতালি ভালই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তবে সেটা বল হাতে। ব্যাট হাতে মোসকা কিংবা মানেন্তি ভাতৃদ্বয় কোন প্রকার লড়াই চালাতে পারেননি। ঠিক সে কারণেই নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে এক নেপালের বিপক্ষে জয় নিয়ে ফিরতে হচ্ছে ইতালিকে। অন্যদিকে ক্যারিবিয়ানরা আরও একটি জয় পেলেও, কন্ডিশন বিবেচনায় চাপে পড়ার একটা দীক্ষাও পেল।

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ইতালির মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একদলের বিদায় নিশ্চিত, আরেকদল চলে গেছে সুপার এইটে। টুর্নামেন্টের দৃষ্টিকোণ থেকে ম্যাচের গুরুত্ব নেই বললেই চলে। এমন ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পড়েছিল বিপাকে। টসে জিতে প্রথম বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইতালি।

বেজায় চাপে রেখেছিল তারা ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের। এক শাই হোপ ছাড়া বাকিরা কেউই সেই অর্থে নিজেদের স্বভাবজাত ব্যাটিংটা করতে পারেননি। বেন মানেন্তি, কিষাণ কালুগামাগে দুইটি করে উইকেট তুলে নেন। ইতালির বাকি বোলাররা যথাযথভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটারদের শক্তিমত্তার বিপরীত ঘরনার বোলিংটা করতে চেয়েছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সফলও হয়েছেন।

শাই হোপ ৭৫ রান না করলে হয়ত আরও বহু আগেই থেমে যেত ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রা। ১৬৫ রানের পুঁজি ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য ছিল যথেষ্ট, সামনে দলটা যে ইতালি। শ্যামার জোসেফ তো ইতালিকে একেবারে পঙ্গু করে দেন চার খানা উইকেট তুলে নিয়ে। তার সাথে পাল্লা দিয়েছেন ম্যাথু ফোর্ড, তার শিকার তিন উইকেট। ক্যারিবিয়ান বোলারদের মধ্যে স্রেফ জেসন হোল্ডার ছিলেন উইকেট শূন্য।

ক্যারিবিয়ানদের অভিজ্ঞ বোলিং লাইনআপের সামনে লড়াই করার মত মানসিক দৃঢ়তার অভাবেই দিনশেষে ম্যাচটা হেরেছে ইতালি। অলআউট হয়েছে মাত্র ১২৩ রানে। ৪২ রানের জয় লেখা হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের নামের পাশে।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link