পাকিস্তান নিশ্চিত তারা বিশ্বকাপের ফাইনালে যাচ্ছে না!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ৮ মার্চ, আর তার পরদিনই বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পৌঁছানোর কথা পাকিস্তান দলের, এমন সূচি ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। তবে কি পাকিস্তান নিশ্চিত হয়ে গেছে যে তারা ফাইনাল খেলছে না?

পিসিবির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ৯ মার্চ ঢাকায় পৌঁছাবে পাকিস্তান দল। ১০ মার্চ অনুশীলন শেষে ১১, ১৩ ও ১৫ মার্চ মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। তবে সমস্যার জায়গাটা ভিন্ন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল নির্ধারিত রয়েছে ৮ মার্চ। পাকিস্তান যদি সুপার এইট ও সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনালে ওঠে তাহলে ফাইনাল শেষে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে কলম্বো থেকে ঢাকায় যাত্রা কতটা সম্ভব? ফাইনাল খেললে উদযাপন, আনুষ্ঠানিকতা ও ভ্রমণ মিলিয়ে সময়ের চাপ থাকবেই। সেক্ষেত্রে ৯ মার্চ ঢাকায় পৌঁছে ১০ মার্চ অনুশীলন আর ১১ মার্চ ম্যাচ, এই সূচি বাস্তবায়ন করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

বর্তমানে সুপার এইট পর্বে পাকিস্তানের সামনে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেস্তে গেলেও, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে পারলে ৪ মার্চ মাঠে নামবে তারা। এরপর ৮ মার্চ ফাইনাল। অর্থাৎ শেষ সপ্তাহে টানা চাপের ম্যাচ সূচি।

এমন অবস্থায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, পিসিবি কি আগেভাগেই ধরে নিয়েছে যে পাকিস্তান ফাইনালে উঠবে না? নাকি ওয়ানডে সিরিজের জন্য আলাদা স্কোয়াড পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে? যদিও সেটিও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। কারণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ওয়ানডে দলেও নিয়মিত মুখ।

বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে সফরকারী দল যদি ফাইনাল খেলে আসে, তাহলে তাদের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি সিরিজে প্রভাব ফেলতে পারে, এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সব মিলিয়ে সূচি ঘোষণার পর থেকেই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পাকিস্তান যদি ফাইনালে না ওঠে, তাহলে সূচি মেনে সফর বাস্তবায়ন সহজ হবে। কিন্তু যদি ৮ মার্চ রাত পর্যন্ত বিশ্বকাপের মঞ্চেই ব্যস্ত থাকতে হয়, তাহলে ৯ মার্চ ঢাকায় উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হতে পারে দুই বোর্ডকেই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link