২০২৭ বিশ্বকাপ খেলবেন সাকিব?

দেশের ক্রিকেট আকাশে সাকিবের প্রত্যাবর্তন নিয়ে যেন এক প্রকার ক্রিকেটীয় জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেই জোয়ারেই গা ভাসালেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ ও সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি মনে করেন, বয়সের ভার নয় বরং মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ঠিক করতে পারলেই ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত লাল-সবুজের জার্সি গায়ে দেখা যেতে পারে সাকিব আল হাসানকে।

দেশের ক্রিকেট আকাশে সাকিবের প্রত্যাবর্তন নিয়ে যেন এক প্রকার ক্রিকেটীয় জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেই জোয়ারেই গা ভাসালেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ ও সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি মনে করেন, বয়সের ভার নয় বরং মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ঠিক করতে পারলেই ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত লাল-সবুজের জার্সি গায়ে দেখা যেতে পারে সাকিব আল হাসানকে।

তাঁর ভাষ্যমতে, ৩৭-৩৮ বছর বয়সে এসে তিন ফরম্যাটে তাল মেলানোটা কঠিন বটে। তবে সাকিব যদি নিজেকে যেকোন একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে নিংড়ে দেন, তবে সেটিই হবে দলের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

আশরাফুল বলেন, ”ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বাস করি, এই বয়সে এসে সাকিব যদি একটি ফরম্যাটে মনোযোগ দেন, তবে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তিনি অনায়াসেই বাংলাদেশকে সার্ভিস দিতে পারবেন। ব্যাট ও বল – উভয় বিভাগেই তাঁর মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের উপস্থিতি দলের ভারসাম্য বদলে দেয়।”

জাতীয় দলে সাকিবের শেষ উপস্থিতি ছিল ২০২৪ সালের শেষভাগে। বিসিবি কর্মকর্তারা তাঁর ফেরার বিষয়ে আলোচনার কথা বললেও আশরাফুল জানিয়েছেন, পর্দার আড়ালের সেই খবরের বিস্তারিত তাঁর জানা নেই। তিনি কেবল সংবাদমাধ্যমে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই নিজের মত জানিয়েছেন।

মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অবসরের ফলে ওয়ানডে দলের মিডল অর্ডারে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে সেটার কথাও স্মরণ করেন অ্যাশ। তিনি মনে করেন, সাকিব ফিরলে সেই শূন্যতা কিছুটা হলেও পূরণ হবে।

তিনি বলেন, ”আমরা দুই ফরম্যাটে ভালো খেললেও ওয়ানডেতে এখন কিছুটা ধুঁকছি। আমাদের মিডল অর্ডারের তিন স্তম্ভ – মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ ও সাকিব এখন নেই। যারা তাদের জায়গায় আসছেন, তারা চেষ্টা করছেন ঠিকই, কিন্তু ফলাফল আমাদের পক্ষে আসছে না।”

সামনের প্রতিটি ম্যাচই এখন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত ২৩টি ওয়ানডে খেলার কথা রয়েছে টাইগারদের। ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটের মধ্যে থাকা বাধ্যতামূলক।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী সময়ে তথা ১১ মার্চ মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ দিয়েই অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। আর সেই ম্যাচ দিয়েই প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকার।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link