আকবর আলীর দূর্দান্ত সেঞ্চুরি আর রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণির ধাঁধা- দুইয়ের মিশেলে নর্থ জোনের বিশাল জয়। ৩৩৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুড়ে দিয়ে মাত্র ২৮১ রানে ইস্ট জোনকে অলআউট করেছেন রিশাদরা। ব্যাটে-বলে দুর্বার জয়ে শুরু হল নর্থ জোনের বিসিএল ওয়ানডে যাত্রা।
চার দল নিয়ে শুরু হয়েছে বিসিএল ওয়ানডে। বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম মুখোমুখি নাজমুল হোসেন শান্তর নর্থ জোন ও ইয়াসির আলী চৌধুরির ইস্ট জোন। ইয়াসির টসে জিতে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শান্তর দলকে। এরপর থেকে পুরোটা সময়জুড়েই এই সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে ইস্ট জোনকে।
হাবিবুর রহমান সোহান আগ্রাসী শুরু করেন, তার সাথে যুক্ত ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। সোহান বেশিদূর এগোতে না পারলেও, তামিম ঠিকই তুলে নেন ফিফটি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও দারুণ উইকেটের ফায়দা তুলে করে ফেলেন ৬৮ রান। এই দুই জনের বিদায়ের পর হতাশ করেছেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তবে তাদের সৃষ্ট হতাশাকে ব্যাটের বেধম প্রহারে এলাকা ছাড়া করেন আকবর আলী।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবরের ব্যাটিং দক্ষতার সংকট নিরসনে তিনি যে বলিষ্ঠ- সেটাই বোঝালেন। স্রেফ ৮৭ বলে ১১১ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলে গেছেন আকবর। তাতে করে ৩৩৫ রানের সুবিশাল পুঁজি পায় নর্থ জোন। জবাব দিতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি ইস্ট জোন।
নতুন বলে শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানারা ত্রাসের সৃষ্টি করেন। এরপর শুরু হয় রিশাদের ঘূর্ণি জাদু। ইস্ট জোনের প্রতিটা ব্যাটারই খাবি খেয়েছেন। স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে স্রেফ মুমিনুল হক সৌরভ ৮৩ রানের সংগ্রামী এক ইনিংস খেলেছেন বটে। কিন্তু তাতে দলের খুব একটা উপকার হয়নি দিনশেষে।
শেষের দিকে নাঈম হাসানের ফিফটি ছাড়ানো ইনিংসটি কেবল ব্যবধান কমিয়েছে। দলকে আর জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে সহয়তা করতে পারেনি। রিশাদের পকেটে গিয়েছে চার খানা উইকেট। এতেই এবারের বিসিএলে ৫৪ রানের জয় নিয়ে শুভসূচনা হল শান্তর নর্থ জোনের। টুর্নামেন্ট জয়ের দিকেই থাকবে শান্তর নজর।












