মিডউইকেট দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে শিমরন হেটমায়ার টপকালেন অর্ধশত রানের মাইলফলক। আর এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রবেশ করলেন দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকায়। যৌথভাবে এক নম্বর স্থানে রয়েছেন ক্যারিবিয়ান এই হার্ডহিটার ব্যাটার।
মানসিকভাবে ভীষণ চাঙ্গা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়ান দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ও শাই হোপের সম্মিলিত সংগ্রহ ২৪ বলে ২৩ রান। জিম্বাবুয়ে যে দারুণ চাপে ফেলে দিয়েছিল ক্যারিবিয়ানদের তা আর না বললেও চলছে নিশ্চয়ই। কিন্তু সেই চাপ অনুভূত হতেই দেননি শিমরন হেটমায়ার।

একটা প্রান্ত থেকে তিনি চালিয়ে যান আগ্রাসনের ঝড়ো ব্যাটিং। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ভয়ে অন্তত তিনি কাচুমাচু হয়ে যাননি। বরং নিজের স্বভাবজাত মারকাটারি ব্যাটিংয়ের অবাধ্য শাসন তিনি প্রতিষ্ঠিত করেন বাইশ গজে। অথচ তিনি আউট হতে পারতেন ব্যক্তিগত এক রানের মাথায়।
সহজ ক্যাচ ফেলে দেন, তাসিঙ্গা মুসেকিওয়া। একবার নয়, তিনি হেটমায়ারের ক্যাচ ছেড়েছেন দুই দুইবার। আর সেই ভুলে খেসারত দিতে হয়েছে জিম্বাবুয়ের গোটা বোলিং ইউনিটকে। একের পর এক বাউন্ডারিতে তিনি উজ্জীবিত জিম্বাবুয়ের আত্মবিশ্বাসকে দুমড়ে-মুচড়ে দিতে থাকলেন। স্রেফ ৩৪ বলে ৮৫ রানের দুর্ধর্ষ এক ইনিংসে তিনি জিম্বাবুয়েকে করে ফেলেন কোণঠাসা।

সমান সাতটি করে চার ছক্কায় তিনি দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বিশ্বকাপে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ার পথে। কিন্তু গ্রায়েম ক্রিমারের একটি বলে অবসান ঘটে হেটমায়ার নামক ধ্বংসলীলার। এদফা আর ক্যাচ ধরতে ভুল করেননি ব্রায়ান বেনেট। কিন্তু ততক্ষণে জিম্বাবুয়ের যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। সুনামির পর বিধ্বস্ত জনপদে পরিণত হয়েছে জিম্বাবুয়ে শিবির।











