ম্যাচ না জিতলেও জবাব দিতে পারলেন শাহীন

নিজের সোনালি দিন ফিরিয়ে এনেছিলেন শাহীন আফ্রিদি। সেটা এতটাই যে নিজের শ্বশুর শহীদ আফ্রিদি পর্যন্ত তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে ফেলবেন। শহীদ আফ্রিদি তো বটেই খোদ ভক্তরাও তাঁকে পাকিস্তানের মূল একাদশে দেখতে রাজি ছিল না।

সেই শাহীন আফ্রিদি খেললেন, জয়ও করলেন। কেবল পাকিস্তানের জয়টা আনতে পারলেন না। চারটা ওভারের প্রতিটাতেই একটা করে উইকেট নিয়েছেন। কিন্তু, তারপরও তিনি পরাজিতদের দলে। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটা শেষ করলেন।

প্রথম ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম বলেই ফিল সল্টকে ফেরালেন সাজঘরে। এ যেন ২০২১ কি ২০২২ সালের শাহীন আফ্রিদি ফিরে এলেন। পরের ওভারেই জশ বাটলার, এরপর জ্যাকব বেথেল – সবাই শাহীন আফ্রিদির শিকার।

শাহীনের আগুন পাখির ডানায় ভর করে পাকিস্তান তখন জয় দেখতে শুরু করেছে। কিন্তু, তখনই জ্বলে উঠলেন হ্যারি ব্রুক নামের এক দানব। শেষ পর্যন্ত ১৭ তম ওভারের শেষ বলে সেই শাহীনের বলেই ব্রুক ফিরলেন।

কিন্তু, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ব্রুক ৫১ বল খেলে সেঞ্চুরি করেছেন। পাকিস্তানের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়েছেন। ম্যাচ জুড়ে দারুণ বোলিং করা শাহীন আফ্রিদির মুখে তাই হাসি নেই।

চার ওভারে ৩০ রান দিয়ে চারটা উইকেট নিয়েছেন। সকল সমালোচনার জবাব দিয়েছেন। পাকিস্তানকে ম্যাচেও ফিরিয়েছিলেন। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। শাহীন জিতলেন ঠিকই, জিততে পারল না কেবল পাকিস্তান!

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link