রাচিনের ঘূর্ণিপাকে শ্রীলঙ্কার সেমির স্বপ্ন শেষ

স্পিন ঠিক কতটা ভয়াবহ তা টের পাওয়ালেন রাচিন রবীন্দ্র। শ্রীলঙ্কার সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিলেন তিনি একা হাতে।

স্পিন ঠিক কতটা ভয়াবহ তা টের পাওয়ালেন রাচিন রবীন্দ্র। শ্রীলঙ্কার সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিলেন তিনি একা হাতে। ঘরের মাঠে লজ্জার এক পরাজয়ের দিকে তিনি ঠেলে দিলেন স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে।

চারখানা উইকেট বাগিয়েছেন রাচিন। তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম তিনি নিলেন চার উইকেট। চারটি উইকেটেই তিনি ব্যাটারদের পরাস্ত করেছেন ঘূর্ণিতে। দুই খানা ব্যাটারকে ক্রিজ ছেড়ে বেড়িয়ে আসতে বাধ্য করেছেন। টিম সেইফার্টের ভরসার হাত স্ট্যাম্প ভাঙতে ভুল করেনি।

আর দুই ব্যাটারকেও সেই ঘূর্ণির মায়াজালে আটকে সতীর্থদের সহজ ক্যাচ পরিণত করেছেন। আর প্রেমাদাসার স্পিন সহায়ক উইকেটে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা যেভাবে খাবি খেয়েছেন, তার থেকেও দ্বিগুণ বিপাকে ফেলেছেন রাচিন লঙ্কান ব্যাটারদের। কুশল মেন্ডিস, পাভান রত্নানায়েকে, দাসুন শানাকা ও দুশান হেমন্তা- ব্যাটিং অর্ডারের মেরুদণ্ডকে একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছেন রাচিন রবীন্দ্র।

রাচিনের একটানা তিন ওভারের স্পেলটাই শ্রীলঙ্কাকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে। আট থেকে ১৩ এই সময়ে তিন ওভার করেন তিনি। মিডল ওভারে শ্রীলঙ্কার বিপর্যয় কাটানোর সময়টুকুতেই আঘাত হানেন রাচিন। প্রেমাদাসার উইকেটে এদিন বেশ বড় বড় সব টার্ন আদায় করেছেন রাচিন রবীন্দ্র। অফ স্পিনার না হলে, অনায়াসে তাকে বলা যেতে পারত বা-হাতি মুত্তিয়া মুরালিধরন।

এদিন নিজের বোলিং কোটা পূর্ণ করেছেন। ২৭ রান খরচায় চার উইকেট শিকার, তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার, আর নিউজিল্যান্ডের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখা পারফরমেন্স। এখন এই শ্রীলঙ্কার জয়ের অপেক্ষাই হয়ত করবে তারা পাকিস্তানের বিপক্ষে। তবে স্বস্তি হচ্ছে রানরেটে বেশ ভালই স্বস্তির জায়গা বাগিয়ে নিতে পেরেছে। পাকিস্তানের বিশাল জয়, আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের বড় ব্যবধানে পরাজয় ব্যতীত ব্ল্যাকক্যাপসদের সেমিফাইনালের পথ থেকে হটানো হয়ে যাবে কষ্টসাধ্য। কৃতীত্ব অবশ্যই ওই রাচিন রবীন্দ্রের প্রাপ্য।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link