মার্করাম শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে রেখেছেন বলিয়ান

ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট। ২০২৪ সালের দুঃখ মোচনে আপ্রাণ চেষ্টাতেই রয়েছেন এইডেন মার্করাম। ধারাবাহিকভাবে দলকে ব্যাট হাতেও দিয়ে যাচ্ছেন নেতৃত্ব।

ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট। ২০২৪ সালের দুঃখ মোচনে আপ্রাণ চেষ্টাতেই রয়েছেন এইডেন মার্করাম। ধারাবাহিকভাবে দলকে ব্যাট হাতেও দিয়ে যাচ্ছেন নেতৃত্ব। দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনালে যাওয়ার পথটা একেবারে মসৃণ করে দিয়েছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন এইডেন মার্করাম। অপরাজিত থেকেছেন ৮২ রানে। টুর্নামেন্টে এটি তার তৃতীয় অর্ধশতক। দ্বিতীয় দফা অপরাজিত থেকে তিনি দলের জয় নিশ্চিতের কার্য সম্পাদন করেছেন। তার নেতৃত্বে রীতিমত অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথম পর্বে চার ম্যাচের একটিতেও হারেনি প্রোটিয়ারা। বলিষ্ঠ নেতৃত্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ অব্যাহত থেকেছে দ্বিতীয় রাউন্ডেও। ক্যারবিয়ানদের বিপক্ষে পরাজয় দোলাচলে ফেলে দিত দলটির সেমিফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন। এমন ম্যাচে মার্করামের সতীর্থরা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কোণঠাসা করেছিলেন বটে।

কিন্তু পরিস্থিতি পালটে যায় জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ডের ৮৯ রানের পার্টনারশীপে। সেখানে আত্মবিশ্বাস ফাটল ধরার কথা ছিল প্রোটিয়াদের। কিন্তু মার্করাম তেমন কিছু ঘটতে দেননি। দলের প্রতিটা খেলোয়াড়কে আগলে রেখেছিল মার্করামের ব্যাট। ১৭৭ রানের বেশ বড়সড় লক্ষ্য অনায়াসে টপকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

৪৬ বলের ইনিংসটিকে তিনি সাজিয়েছিলেন সাতটি চার ও চারটি ছক্কায়। প্রায় ১৭৮.২৬ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিতে তিনি দলকে এক ফোটাও চাপে পড়তে দেননি। ওপেনিংয়ে তার সাথে কুইন্টন ডি কক লম্বা পথ এলেও, শেষ অবধি সঙ্গ দিতে পারেননি। ক্যারিবিয়ান বোলারদের গতি কিংবা ঘূর্ণি কোন কিছুই টলাতে পারেনি মার্করামকে।

তার দৃঢ়তায় ২৩ বল ও নয় উইকেট বাকি থাকতে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে তিনি দলের শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। এবার অন্তত ২০২৪ সালের মত ভুল করতে নারাজ দক্ষিণ আফ্রিকা। ভুল করতে দিতেও চাননা এইডেন মার্করাম।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link