স্বস্তি নেই ভারত দলে। কিছু একটা যেন খুঁজে পাচ্ছে না তাঁরা। সময়ের সাথে সাথে যা কেবল দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে যাচ্ছে। এই না খুঁজে পাওয়া জিনিসটা হলো ভারতের বোলিং লাইনআপ ঠিকঠাক কাজ করছে না। ব্যাটাররা একটু আগ্রাসী হলেই খেই হারিয়ে ফেলছে ভারত। তা সে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা হোক কিংবা জিম্বাবুয়ে।
সুপার এইটে পা দিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে পা হড়কেছিল ভারত। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে নেমে ১১১তেই গুটিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাটিং লাইনআপকে দোষারোপ করা যায়, তবে সে ম্যাচে যে বোলিংটাই হারার কারণজুড়ে ছিল।
আগেই বলেছি, প্রতিপক্ষ আক্রমণ করলেই খেই হারিয়ে ফেলছে ভারত। সে ম্যাচের পাওয়ার প্লে দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে সবকিছু। চার ওভারে প্রোটিয়ারা ২০ করেছিল, খোয়াতে হয়েছিল তিন উইকেট। সেখান থেকে ডেভিড মিলার নেমেই প্রতিআক্রমণ শুরু করেন। পাওয়ার প্লে-র শেষ দুই ওভারে আসে ২১ রান। এরপর থেকেই মূলত ছন্দপতন ঘটে ভারতের বোলারদের।

একমাত্র জাসপ্রিত বুমরাহ আর আর্শদীপ সিং ব্যতীত সবাই রান বিলিয়েছেন মুড়ি-মুড়কির মতো। ১৫০ হওয়া নিয়ে যেখানে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল, সেখানে আফ্রিকা তুলেছিল ১৮৭।
এবার আসা যাক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে। ২৫৬ রান স্কোরবোর্ডে জমা করেছিল ভারত। ব্যাটিংটা একেবারেই নিখুঁত ছিল। তবে বোলিংয়ে দুর্বলতা আরও একবার সামনে এলো।
পাওয়ার প্লেতে জিম্বাবুয়ে তুলেছিল ৪৪ রান। এরপর ব্রায়ান বেনেট সেট হয়ে যান ক্রিজে, আক্রমণ শুরু করেন আর প্রতিপক্ষ ওখানেই শেষ। বুমরাহ-হার্দিক কিংবা বরুণ-অক্ষর কেউই ভয় ছড়াতে পারেননি। তুলনামূলক খর্বশক্তির দল হয়েও জিম্বাবুয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে ফ্ল্যাট উইকেট আর বোলারদের উপর একটু চাপ প্রয়োগ করলেই ভারতের খেল খতম।

সামনে আর একটা ম্যাচ। সেমিতে যেতে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে হবে ভারতের। ব্যাটিংটা শেষ ম্যাচে ঠিকঠাক ক্লিক করলেও বোলারদের নিয়ে স্বস্তিতে থাকার উপায় অন্তত ভারতের নেই।
Share via:











