গত আসরের দুর্ভাগ্য সাথে নিয়েই শুরু হল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের এবারের পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) যাত্রা। শামিল হুসেইন এবারের আসরের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারলেন না। অন্যদিকে মঈন আলীর ব্যাটে জাগা ভরসাকে পুঁজি করে শেষমেশ জয়ের মুকুট মাথায় তুলেছে করাচি কিংস।
পিএসএলের দ্বিতীয় ম্যাচ। ডেভিড ওয়ার্নারের করাচি কিংসের প্রতিপক্ষ সৌদ শাকিলের কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। টসে জিতে শাকিল ওয়ার্নারকে আমন্ত্রণ জানান ব্যাটিংয়ে। শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি করাচির। মুহাম্মদ ওয়াসিম শূন্যরানে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। এরপর সালমান আলী আঘার মৃদু ঝড় চললেও, ওয়ার্নার ছিলেন খানিকটা ইতস্তত।

মাঝারি মানের একটা লক্ষ্যমাত্রায় আটকে যাওয়ার শঙ্কা জাগে করাচি কিংসের সামনে। তবে রাজাদের মান রক্ষায় ত্রাণকর্তা বনে যান মঈন আলী। ইংলিশ এই অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ৪৮ রান। তাতে করে ১৮১ অবধি পৌঁছায় করাচির সংগ্রহ। কোয়েটার পেসার আহমেদ দানিয়াল তিন উইকেট তুলে যথাসাধ্য আটকাবার চেষ্টা করেছিলেন করাচি কিংসের ব্যাটারদের।
জবাব দিতে নেমে মাত্র ২১ বলে ফিফটি তুলে নেন শামিল হুসেইন। ৭৯ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তিনি সৌদ শাকিলের সঙ্গে। কিন্তু শামিলের বিদায়ের পর থেকেই কোয়েটার আকাশে ধূসর মেঘের ঘনঘটা। খাজা নাফে, রাইলি রুশোর মত ব্যাটাররা রান তুলতে হিমশিম খেলেন, বলের সাথে রানের পাল্লাটায় ভারসাম্য রাখতে পারলেন না।

যার অন্যতম কারণ পাকিস্তানি পেসার হাসান আলী। তার ঝুলিতে গিয়েছে কোয়েটার চার খানা উইকেট। তাতে করে সাত উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রানে থামে কোয়েটার রান তাড়ার লড়াই। ১৪ রানের পরাজয়ে গত আসরের ফাইনাল হারার ক্ষত যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠল কোয়েটার। তবে কেবল তো শুরু, পথটা লম্বা- বাউন্স ব্যাক করে শিরোপার অন্বেষণেই নামতে চাইবে কোয়েটা।











