বাংলাদেশের জয় পাওয়া হল না ভারতের বিপক্ষে

দুই দলের ডাগআউটের দিকেই লাল কার্ড উঁচিয়ে ধরেছেন রেফারি। বাংলাদেশ-ভারত লড়াই ঠিক এতটাই উত্তেজনা ছড়ায়। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশীপেও ঘটেনি ব্যত্যয়।

দুই দলের ডাগআউটের দিকেই লাল কার্ড উঁচিয়ে ধরেছেন রেফারি। বাংলাদেশ-ভারত লড়াই ঠিক এতটাই উত্তেজনা ছড়ায়। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশীপেও ঘটেনি ব্যত্যয়। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দলের যুদ্ধটা হয়েছে শেয়ানে শেয়ান। জম্পেশ লড়াই শেষে, ভারতের সাথে ড্র করে বাংলাদেশের যুবারা গ্রুপ রানার্সআপ।

মালদ্বীপের রাজধানীর বুকের জাতীয় স্টেডিয়াম যেন পরিণত হয়েছিল এক টুকরো বাংলাদেশে। এই ম্যাচের জন্য টিকিটের হাহাকার পড়ে গিয়েছিল মালে শহরে। দর্শকদের পূর্ণ সমর্থন নিয়েই ভারতের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে সমর্থকদের স্রোত উপেক্ষা করে ১৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত।

কর্ণার কিক থেকে দারুন হেডে গোল করেন বিশাল যাদব। মর্যাদার এই লড়াইয়ে সমতায় ফিরতে মড়িয়া হয়ে ওঠে মিঠু চৌধুরী ও তার দল।  উত্তেজনার পারদ হয়ে যায় আকাশচুম্বী। মাঠ ছাপিয়ে ডাগআউটেও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। বাংলাদেশের কোচ এডওয়ার্ড কক্সের সাথে বাকবিতণ্ডা হয় ভারতীয় কোচিং প্যানেলের। অগ্যতা পরিস্থিতি ঠান্ডা করতে লাল কার্ড উঁচিয়ে ধরেন রেফারি।

কোচের রেডকার্ড যেন তাঁতিয়ে দেয় বাংলাদেশকে। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে কর্ণার কিক পায় বাংলাদেশ। এদফা ফয়সাল হুদা ফাহিমকে থামিয়ে দিয়ে কর্ণার করতে যান রোনান সুলিভান। তার অসাধারণ ডেলিভারিতে, পেছন থেকে দৌড়ে এসে বল জালে জড়ান বদলি নামা আবদুল রিয়াদ। উল্লাসে ফেটে পড়ে মালের জাতীয় স্টেডিয়াম। ম্যাচ ফেরে সমতায়।

১-১ গোলের সমতা নিয়ে দুই দলে ফেরে ডাগআউটে। প্রথমার্ধের পর, দুই দলই আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে ম্যাচ নিজেদের করে নেওয়ার। কিন্তু যথার্থ আক্রমণ সাঁজাতে ব্যর্থ হয়েছে দুই দলের খেলোয়াড়রাই। শেষ অবধি আর কোন দলই গোলের দ্বার উন্মুক্ত করতে পারেনি। তাতে করে সমতা নিয়েই মাঠ ছেড়েছে দুই শিরোপা প্রত্যাশি দল।

সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নেপাল। আগামী পহেলা এপ্রিল ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে নামবে মুর্শেদ আলী ও তার সতীর্থরা। শিরোপার দিকেই রয়েছে টাইগার যুবাদের নজর।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link