প্রভসিমরান সিং: পাঞ্জাবের অতন্দ্র প্রহরী!

পাঞ্জাব কিংস উড়ছে, আর যে ডানায় ভর করে আছে তার নাম প্রভসিমরান সিং। ধারাবাহিকতা স্বভাবজাত গুণ আর আগ্রাসন যার শক্তি। এই দুইয়ের মিশেলে পাঞ্জাবের টপ অর্ডার একাই আগলে রেখেছেন। রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ব্যতিক্রম হলো না তার।

পাঞ্জাব কিংস উড়ছে, আর যে ডানায় ভর করে আছে তার নাম প্রভসিমরান সিং। ধারাবাহিকতা স্বভাবজাত গুণ আর আগ্রাসন যার শক্তি। এই দুইয়ের মিশেলে পাঞ্জাবের টপ অর্ডার একাই আগলে রেখেছেন। রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ব্যতিক্রম হলো না তার।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মঞ্চটাকে আপন করে নিয়েছেন। প্রভসিমরান নামবেন, রান করবেন, আর এই ধারার পুনরাবৃত্তি চলবে প্রতিদিন। এর বাইরে যেন কিছুই নেই, এই সত্য অস্বীকার করার কেউ নেই।

প্রিয়ানশ আরিয়া যে ঝড় শুরু করেছিলেন তার পূর্ণতা দিতে পারেননি ঠিকই। তবে পাঞ্জাবকে এনে দিয়েছিলেন উড়ন্ত সূচনা। অন্যপাশে শান্ত নদীর মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রভসিমরান। তবে সতীর্থ ফিরে যাওয়ার পর আরও সজাগ হয়েছেন, হাল ধরার কাজটা বেছে নিয়েছেন।

৪৪ বলে ৫৯ রানের ইনিংস নামের পাশে জায়গা করে নিয়েছে। এবারের আসরের চার নম্বর ফিফটিটা নিজের ঝুলিতে পুরেছেন। এর আগের ম্যাচেই দিল্লির বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে পেছনের ৭৬ রানের অবদান রেখেছিলেন। মাঝের একটা ডাক বাদ দিলে পাঁচ ম্যাচের মধ্যে চারটাতেই ফিফটি এসেছে।

এই আসরের আট ম্যাচেই ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ৩৪৬ রান, গড় প্রায় ৫৭। ওপেনিংয়ে এমন ফর্ম আর ধারাবাহিকতা পাঞ্জাবের আকাশ রেখেছে মেঘমুক্ত। অতন্দ্র প্রহরীর বেশে চুপিসারে আগলে রেখেছেন টপ অর্ডার।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link