হায়দ্রাবাদে বিধ্বস্ত হয়ে বিদায় মুলতানের!

মাজ সাদাকাত আর উসমান খান, এই দুজন মিলে মুলতানের বোলারদের উপরে চড়াও হয়েছেন। দুজনেই তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক।

ম্যাচ জিতলেই ফাইনালে উঠতে পারার একটা সুযোগ পাওয়া যেত। কিন্তু, সেখানেই ভেঙে পড়লো মুলতান সুলতান্স। পুরো আসর বেশ দাপটের সাথে খেললেও এলিমিনেটর ম্যাচে বিধ্বস্ত হলো হায়দ্রাবাদ কিংসম্যানের কাছে।

 

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আশানুরূপ শুরু পায়নি মুলতান সুলতান্স। টেস্ট বিশেষজ্ঞ থেকে নতুন যুগের টি-টোয়েন্টি ব্যাটার বনে যাওয়া স্টিভ স্মিথ কিংবা দারুণ আসর কাটাতে থাকা শাহিবজাদা ফারহান, ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়েছেন দুজনেই।

 

অন্যদের আসা যাওয়ার মিছিলে ঠাঁই দাঁড়িয়ে ছিলেন শান মাসুদ। তাঁর চারটি করে চার-ছক্কায় হাকানো ৬৯ রানের ইনিংসটাই কেবলমাত্র আশার আলো হয়ে উঠেছিল দলের জন্য। শেষ পর্যন্ত মুলতানের সংগ্রহ ১৫৯ রানে গিয়ে থামে।

পিচ ছিল ব্যাটিং সহায়ক আর লক্ষ্য ছিল সহজে ডিঙানোর মতো। এমন দিনে তাই তো অধিনায়ক মার্নাস ল্যাবুশেন ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলেও হায়দ্রাবাদ দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়নি।

 

মাজ সাদাকাত আর উসমান খান, এই দুজন মিলে মুলতানের বোলারদের উপরে চড়াও হয়েছেন। দুজনেই তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। উসমান ৬৪ করে ফিরে গেলেও সমান রান করে একেবারে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন সাদাকাত।

 

একসময় মনে হচ্ছিলো প্লে-অফেই জায়গা করে নিতে পারবে না কিংসম্যান। কিন্তু, নিজেদের শেষ ম্যাচে রান-রেটের সব হিসেব পেরিয়ে জায়গা করে নেয় শেষ চারে। এলিমিনেটরে আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে মুলতানকে হারিয়ে তাঁরা প্রমাণ করলো, হারিয়ে যাওয়ার জন্য কিংসম্যান আসেনি।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link