শতকে রিকেলটনের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন!

রিলেকটনের ব্যাট হাসছিলো না, দল হিসেবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সও দিতে পারছিলো না নিজেদের সেরাটা। এর মধ্যেই একাদশ থেকে বাদও পড়তে হয়েছিল।

তুমি যেখানেই বল করো না কেন আমি সেটা মাঠের বাইরে পাঠাবো। বোলারকে রীতিমতো এমন ঘোষণা দিয়েই মাঠে নামেন রায়ান রিকেলটন। যে দিনে তাঁর ব্যাট কথা বলবে সেদিন বোলারদের করার কিচ্ছু নেই। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে অতিমানবীয় শতক সেটারই প্রমাণপত্র দিলেন।

আশানুরূপ পারফরম্যান্স করতে না পারার কারণে রিকেলটনের একাদশে জায়গা হয়নি আগের দুই ম্যাচে। কুইন্টন ডি কক ইনজুরিতে না পড়লে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার সুযোগ হতো না। সুযোগ পেয়েই সেটার ফায়দা লুটে নিলেন।
এবারের আসরে দলের প্রথম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৮১ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর যেন হারিয়ে ফেরেছিলেন নিজেকে। পরের চার ম্যাচে তিন বার ফিরতে হয়েছে এক অংকের ঘরে।

রিলেকটনের ব্যাট হাসছিলো না, দল হিসেবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সও দিতে পারছিলো না নিজেদের সেরাটা। এর মধ্যেই একাদশ থেকে বাদও পড়তে হয়েছিল। ফিরেই রাঙিয়ে দেওয়া এক ইনিংস খেলেছেন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে।
ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণ চালান এই আফ্রিকান। খেলেছেন একেবারে শেষ বল পর্যন্ত। প্যাট কামিন্স, প্রফুল হিঙ্গেদের অসহায় বানিয়ে তুলে নিয়েছেন আইপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম শতক।
দশ চারের পাশে হাঁকিয়েছেন আটটি দুর্দান্ত ছক্কা। ৫৫ বল খেলে নামের পাশে যোগ করেছেন ১২৩ রান। ২২৩ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসে দলকে এনে দিয়েছেন ২৪৩ রানের বিশাল সংগ্রহ।

 

হার্শা ভোগলে একবার বলেছিলেন, জীবন হলো টেস্ট ম্যাচের মতো। আপনাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দিবেই। রায়ান রিকেলটনও পেয়েছিলেন। শতক হাঁকিয়ে বুঝিয়ে দিলেন প্রতিভাবানদের জন্য একটামাত্র সুযোগই যথেষ্ট।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link