র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ মুস্তাফিজ-নাহিদদের!

শেষ ম্যাচে একাদশে ফিরে কিউইদের ব্যাটিং লাইনআপ গুড়িয়ে দিয়ে ফাইফার নেন মুস্তাফিজুর রহমান। এক ম্যাচের পারফরম্যান্সেই ১৪ ধাপ এগিয়ে ফিজের জায়গা এখন ৪১ নম্বরে। 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি)  র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা।  ঘরের মাঠে মাত্র কদিন আগে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ। কেবলমাত্র ২-১ ব্যবধানের জয় নয়, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দিয়েও আলো ছড়িয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানারা। যার প্রভাব পড়েছে র‍্যাঙ্কিংয়েও।

পুরো সিরিজ জুড়েই ব্ল্যাকক্যাপস ব্যাটারদের ঘাম ছুটিয়েছেন ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করার পাশাপাশি তিন ম্যাচ মিলিয়ে ঝুলিতে পুরেছেন আট উইকেট। হয়েছেন সিরিজ সেরাও। র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৬ ধাপ লাফ দিয়ে রানার অবস্থান এখন ৪৮ নম্বরে।

ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি প্রথম দুই ম্যাচ। শেষ ম্যাচে একাদশে ফিরে কিউই ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিয়ে ফাইফার তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। এক ম্যাচের পারফরম্যান্সেই ১৪ ধাপ এগিয়ে ফিজের জায়গা এখন ৪১ নম্বরে।

উন্নতি হয়েছে তিন ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়া বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামেরও। পূর্বের অবস্থান ৩৯ থেকে এগিয়ে এখন তিনি ২৮ নাম্বারে। অগ্রগতি না হলেও আট নম্বরে থেকে বোলারদের মধ্যে সবার আগে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। অলরাউন্ডারদের মধ্যেও তিনি এক ধাপ এগিয়ে তিন নম্বরে অবস্থান করছেন।

বোলারদের পাশাপাশি উন্নতি হয়েছে ব্যাটারদেরও। সিরিজে সর্বোচ্চ রান করা নাজমুল হোসেন শান্ত ১১ ধাপ এগিয়ে ৩২ নম্বরে উঠে এসেছেন। শেষ ম্যাচে অর্ধশতক হাঁকানো লিটন দাস র‍্যাঙ্কিংয়ে এখন ১৫ ধাপ অগ্রগতি করে ৬৫ নম্বরে।

মাত্র একটা টি-টোয়েন্টি খেলা হলেও উন্নতি হয়েছে ব্যাটারদের। ম্যাচ জেতানো অর্ধশতক করা তাওহীদ হৃদয় এখন র‍্যাংকিংয়ে ৩৯ নম্বরে উঠে আসেন নয় ধাপ এগিয়ে। পারভেজ হোসেন ইমনও তিন ধাপ এগিয়ে ৪০ নম্বরে অবস্থান করছেন নতুন র‍্যাংকিংয়ে।

ভালো খেললে তার প্রদর্শন শুধু খেলার মাঠেই হয় না। বরং, মাঠের বাইরেও এর ফল দেখা যায়। চলমান নিউজিল্যান্ড সিরিজে প্রতিভার চিহ্ন দেখিয়ে বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা তাই তো র‍্যাংকিংয়ে উঠে আসলেন আগের চেয়ে ভালো অবস্থানে।

 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link