ক্লাসেনের দৈবিক ধারবাহিকতায় হায়দ্রাবাদের মুম্বাই-জয়!

ক্লাসেন নিজের জীবনের সেরা সময়টুকু এবারের আইপিএলেই কাটাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত খেলা সব ম্যাচের মধ্যে মাত্র এক ইনিংসে তাঁর ব্যাট থেকে ৩০ রানের কম এসেছে।

২৪৪ রানের লক্ষ্য, পার হতে গেলে বিশেষ কিছু করতে হবে ব্যাটারদের। যার সূচনা করেছিলেন ট্রাভিস হেড। আর উপসংহারে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিলেন হেনরিখ ক্লাসেন। তাতেই বিশাল লক্ষ্য ছয় উইকেট হাতে রেখেই ছুঁয়ে ফেলল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ।

হায়দ্রাবাদের ব্যাটিং অর্ডারের খুঁটি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন ক্লাসেন। অভিষেক শর্মা, ইশান কিষাণরা ঝড় চালাচ্ছে নিয়মিত, তবে তার পেছনে ভরসা জোগাচ্ছেন ক্লাসেন। হয়ে উঠেছেন ধারাবাহিকতার প্রতিধ্বনি।

পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, ক্লাসেন শান্ত থাকেন। কখনো মিডল অর্ডারে হাল ধরার দায়িত্ব, কখনো ঝড়ো গতিতে রান তোলার কাজ, আবার কখনো দলকে জেতাতে জাত ফিনিশার বনে যাওয়া, ক্লাসেন যেন বহুরূপী সত্তা।

ক্লাসেন নিজের জীবনের সেরা সময়টুকু এবারের আইপিএলেই কাটাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত খেলা সব ম্যাচের মধ্যে মাত্র এক ইনিংসে তাঁর ব্যাট থেকে ৩০ রানের কম এসেছে। সেদিন করেছিলেন ২৯।

৩০ বল খেলেছেন। তাতেই সাত চারের সাথে বল বাউন্ডারি ছাড়া করেছেন চারবার। ২১৬ স্ট্রাইকরেটে ৬৫ রানের ইনিংস খেলার পথে এই ডানহাতি অপরাজিত ছিলেন।

তাতেই ২৪৩ রানের পাহাড় গড়েও পাত্তা পায়নি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। বৃথা গেছে রায়ান রিকেলটনের শতকও। আট বল হাতে রেখে হেসে খেলেই জয়ের বন্দরে তরী ভেড়ায় হায়দ্রাবাদ, যার পেছনের কারিগর হেড আর ক্লাসেন।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link