রাজস্থানকে একাই প্লে-অফে নিয়ে গেলেন আর্চার!

একটা ম্যাচ, হারলে সব শেষ, চাপ চেপে বসেছে ঘাড়ে। এই সময় কী করবেন? সহজ সমাধান, জোফরা আর্চার বনে যাবেন।

একটা ম্যাচ, হারলে সব শেষ, চাপ চেপে বসেছে ঘাড়ে। এই সময় কী করবেন? সহজ সমাধান, জোফরা আর্চার বনে যাবেন। দলের যখন রান দরকার আর্চার হাজির, ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে উইকেট দরকার, আর্চার তো আছেই। প্লে-অফ সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি যেন রাজস্থানের ত্রাতা হয়ে এলেন। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে দলকে প্লে-অফের টিকিট কেটে দিলেন।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হারানোর কিছুই নেই, তবে রাজস্থানের ছিল। হারলে যে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের এবারের যাত্রা শেষ হবে। এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে আগে ব্যাট হাতে নামে রাজস্থান। বৈভব সূর্যবংশী পারেননি, ইনিংস বড় হয়নি যশস্বী জয়সওয়ালেরও।

এদিন সাত নম্বরে ব্যাট হাতে নেমেছিলেন আর্চার। রবীন্দ্র জাদেজা, শিভম দুবেদের পেছনে ফেলে নামাটা একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন রেখেছিল। আর্চার সেটার উত্তরও ব্যাট দিয়েই দিলেন। তিন ছক্কা আর এক চারে ১৫ বল খেলেই করলেন ৩২ রান। ওটাই মূলত মোমেন্টাম এনে দেয় রাজস্থানকে। স্কোরবোর্ডে সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৫ রানের।

তখনও সবচেয়ে বড় কাজটা বাকি ছিল। ওই রান আটকাতে হবে। আর সেখানেও সেনাপতি বনে গেলেন ইংলিশ গতিদানব। প্রথম ওভারেই প্রতিপক্ষের সেরা নামটা ছেঁটে ফেললেন, শূন্যতেই বিদায় নিতে হলো রোহিতকে। তাতেও আয়েশ মেটেনি। পরের ওভারে আরও এক শিকার, নামান ধিরের আগলে রাখা স্টাম্প উপড়ে ফেললেন।

মাঝের সময় বিপর্যয় সামলে নিতে থাকে মুম্বাই, আর্চারের শেষ ওভার জমিয়ে রাখা হয়েছিল মোক্ষম সময়ে ব্যবহারের জন্য। সেটা এলো এমন সময়, যখন বাইশ গজে তাণ্ডব চালাচ্ছেন সুরিয়াকুমার আর হার্দিক পান্ডিয়া। তাতে আর্চারের কিছু যায় আসে না। গতির হুঙ্কারে তুলে নিলেন হার্দিককে।

চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন তিন উইকেট। উপসংহারে রাজস্থানের জয়ের গল্প লেখা শুরু হয় সেখান থেকেই। শেষমেশ মুম্বাইকে ৩০ রানে হারিয়ে প্লে-অফের গাড়িতে নিজেদের বসিয়ে নেয় রাজস্থান। যেখানে নায়কের নামটা জোফরা আর্চার।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link