দল যখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে, তখনই বোধহয় আসল নায়কদের চেনা যায়। আর দলটা যখন পাঞ্জাব কিংস, তখন নায়ক স্বয়ং সেনাপতি শ্রেয়াস আইয়ার। সমীকরণে টিকে থাকার লড়াইয়ে রাজকীয় এক ইনিংস উপহার দিলেন তিনি।
তাঁর অপরাজিত শতরানের ওপর ভর করে লখনৌকে সাত উইকেটে হারাল পাঞ্জাব। ১৯৭ রানের এক পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। অল্প রানেই প্রথমসারির উইকেট হারিয়ে যখন দল ধুঁকছিল, তখনই ত্রাতা হয়ে মাঠে নামেন অধিনায়ক শ্রেয়াস। চাপের মুখে ভেঙে না পড়ে তিনি প্রস্ফুটিত হলেন এক শান্ত অথচ আগ্রাসী রূপে।
১০১ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েই মাঠ ছাড়েন এই ক্রিকেট-সারথী। এই জয়ে পাঞ্জাবের টানা ছয় ম্যাচের হারের কালো মেঘ কেটে গিয়ে আলোর দেখা মিলেছে।

ফ্র্যাঞ্চাইজিটির দীর্ঘ পথচলায় অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি করার গৌরব এর আগে মাত্র দুজন ছুঁতে পেরেছিলেন। সেই দিক থেকে শ্রেয়াস হলেন পাঞ্জাবের ইতিহাস গড়া তৃতীয় অধিনায়ক। এর আগে ২০২০ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ১৩২ রানের এক মহাকাব্যিক অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন তৎকালীন কাপ্তান লোকেশ রাহুল।
আর তারও অনেক আগে, ২০১১ সালে একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ১০৬ রানের এক বিধ্বংসী সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন অজি কিংবদন্তি অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। এবার লখনৌয়ের মাটিতে ১০১ রানের এই অপরাজিত ইনিংস খেলে সেই এলিট ক্লাবে নিজের নাম খোদাই করলেন শ্রেয়াস আইয়ার।
অধিনায়কোচিত এই ইনিংসে ভর করে ১৪ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে পাঞ্জাব কিংস। তবে এই জয়েও তাদের শেষ চারের ভাগ্য সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেই। বরং ঝুলে আছে অন্য দলগুলোর জয়-পরাজয়ের সমীকরণের ওপর।












