সরফরাজকে সরিয়ে হাফিজ-ইউনুসে আস্থা পিসিবির

দলের এমন ভরাডুবির পর বর্তমান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও অধিনায়ক শান মাসুদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড  (পিসিবি)। খুব দ্রুতই বোর্ড তাদের পদ থেকে সরিয়ে দিতে পারে।

​বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট ব্যর্থতাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ক্রিকেটে এখন পরিবর্তনের ঝড় বইছে। দলের এমন ভরাডুবির পর বর্তমান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও অধিনায়ক শান মাসুদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড  (পিসিবি)। খুব দ্রুতই বোর্ড তাদের পদ থেকে সরিয়ে দিতে পারে।

​অধিনায়ক হিসেবে শান মাসুদের রেকর্ড খুবই হতাশাজনক। এখন পর্যন্ত ১৬টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে ১১টিতেই হেরেছেন তিনি। তাই ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের আগে নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে বোর্ড। যদিও মাসুদ নিজের কাজের জন্য আরও সময় চেয়েছেন, কিন্তু পিসিবি নীতিনির্ধারকরা তা মানতে নারাজ।

​দলের এই বেহাল দশায় ​পিসিবি চাচ্ছে কোচিং এবং নির্বাচক প্যানেলে সাবেক তারকাদের যুক্ত করতে। এরই ধারাবাহিকতায়, ইউনুস খান ও মোহাম্মদ হাফিজের সাথে যোগাযোগ করেছে বোর্ড।

সরফরাজ আহমেদকে সরিয়ে তাকে অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে, হাফিজকে প্রধান নির্বাচক ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিভাগের প্রধান হিসেবে ভাবছে পিসিবি।

তবে হাফিজের নিয়োগ নিয়ে বোর্ডের ভেতরেই কিছুটা অস্বস্তি কাজ করছে। এতদিন গণমাধ্যমে তিনি দল ও বোর্ডের কার্যক্রম নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে এসেছেন। অনেকের মতে, হাফিজের সমালোচনার মুখ বন্ধ করতেই তাকে এই পদের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।

​বর্তমানে পুরো বিষয়টি পিসিবি চেয়ারম্যানের টেবিলে রয়েছে। ইউনুস খান অতীতে যেকোনো দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন, তাই পিসিবি কর্মকর্তাদের সাথে তাঁর বর্তমান সমঝোতা কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। সব মিলিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে বড় ধরনের একটা রদবদল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link