কবে ফিরছেন নেইমার?

বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞের শুরুতেই নেইমারকে পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ব্রাজিলের শিবিরে এখন নতুন করে আশা জাগছে।

বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞের শুরুতেই নেইমারকে পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ব্রাজিলের শিবিরে এখন নতুন করে আশা জাগছে। সান্তোসের হয়ে খেলার সময় কাফ ইনজুরিতে পড়া এই মহাতারকার সর্বশেষ এমআরআই রিপোর্ট অত্যন্ত ইতিবাচক। যা সেলেসাও ভক্তদের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছে।

ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা একজন সাংবাদিক নেইমারের ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে জানিয়েছেন, ‘নেইমারের এমআরআই রিপোর্ট আসার পর প্রত্যাশার পারদ অনেক উঁচুতে। উন্নতি বেশ ভালো দেখা যাচ্ছে, তবে আমাদের আরও একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।’

ব্রাজিল দলের কোচিং প্যানেল ও মেডিকেল স্টাফরা তাকে মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামানোর ঝুঁকি নিতে নারাজ। যদিও কিছু প্রতিবেদনে তাকে উদ্বোধনী ম্যাচে পাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

তবে দলের মূল পরিকল্পনা তাকে ২০ জুন হাইতির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে ফেরানোর দিকে। এই সময়ের মধ্যে তাঁর শারীরিক সক্ষমতা ও ম্যাচ ফিটনেস পুরোপুরি নিশ্চিত করাই এখন কর্তৃপক্ষের একমাত্র লক্ষ্য।

ফুটবল বিশ্বের অগণিত ভক্ত এখন নেইমারের প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায়। হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ফেরাটা কেবল একজন খেলোয়াড়ের প্রত্যাবর্তন নয়, বরং টুর্নামেন্টের শিরোপা লড়াইয়ে ব্রাজিলের আত্মবিশ্বাসের অন্যতম প্রধান উৎস।

যদি সব কিছু ঠিকঠাক থাকে এবং মেডিকেল ছাড়পত্র পাওয়া যায়, তবে ২০ জুনের ম্যাচেই হলুদ জার্সিতে মাঠ কাঁপাতে দেখা যেতে পারে এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারকে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link