হাইতির বিপক্ষে খেলবেন নেইমার?

বোম দিয়া, গুড ডে, এই শব্দেই টিম ট্রেনিংয়ে স্বাগত জানানো হলো নেইমার জুনিয়রকে। টিম ট্রেনিংয়ে প্রথমবার, নিঃসন্দেহেই গুড ডে ফর নেইমার, পৃথিবী জুড়ে থাকা শত কোটি ব্রাজিল সমর্থকদের জন্যও এটা বোম দিয়া।

বোম দিয়া, গুড ডে, এই শব্দেই টিম ট্রেনিংয়ে স্বাগত জানানো হলো নেইমার জুনিয়রকে। টিম ট্রেনিংয়ে প্রথমবার, নিঃসন্দেহেই গুড ডে ফর নেইমার, পৃথিবী জুড়ে থাকা শত কোটি ব্রাজিল সমর্থকদের জন্যও এটা বোম দিয়া। ইনজুরি মুক্ত নেইমার, এখন কেবল মাঠে ফেরার অপেক্ষা।

মে মাসের শেষভাগ থেকে ডান কাফের ইনজুরিতে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। মরক্কোর বিপক্ষে সেলেসাওদের প্রথম ম্যাচের ড্র-টি ডাগআউটে বসেই দেখতে হয়েছে এই তারকা ফুটবলারকে। সাড়ে তিন বছর ধরে জাতীয় দলের হলুদ জার্সিতে নেইমারের খেলতে না পারা দিনে দিনে অপেক্ষা বাড়াচ্ছে ভক্তদের মধ্যে। 

নেইমারের ফেরার খবর আসতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শুরু হয়েছে তুমুল ঝড়। এমনকি ভক্তরা নজর রাখছেন নেইমারের প্রতিটি নড়াচড়া দিকে। তবে এই উন্মাদনার মাঝেও কিছু সংশয় আর বিতর্কের মেঘ জমেছে ফুটবলপ্রেমীদের মনে।

অনুশীলনের কিছু ফুটেজে নেইমারকে আগের চেয়ে কিছুটা ধীরগতির এবং ভারী বলে মনে হয়েছে। সতীর্থদের ক্ষিপ্র গতির তুলনায় সান্তোসের এই তারকার এমন ফর্ম অনেক ব্রাজিলিয়ানকেই ভাবিয়ে তুলছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, জোয়াও পেদ্রোর বদলে নেইমারকে স্কোয়াডে রাখা কতটা যৌক্তিক ছিল। 

শুক্রবার ফিলাডেলফিয়াতে হাইতির মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। হেড কোচ এবং মেডিকেল স্টাফরা নেইমারের ফিটনেস খুব সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছেন। নক-আউট পর্বের আগে এই মহাতারকার মাঠে উপস্থিতি দলের আক্রমণভাগে যে বড় বুস্ট দেবে, তা বলা যায় কোনো সন্দেহ ছাড়াই। 

বিশ্বকাপের মঞ্চে নেইমার মানেই যেন এক রোমাঞ্চ আর আবেগের নাম। নেইমার কি পারবেন সব সংশয় উড়িয়ে আবারও সাম্বার ছন্দে বিশ্বজয় করতে, নাকি ইনজুরির কাছে হার মানবে এই শেষ লড়াই? এর উত্তর দেবে সময়, তবে আপাতত রাজপুত্রের প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় পুরো ফুটবল বিশ্ব। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link