বিশৃঙ্খলায় কলঙ্কিত কাতার-কানাডার লড়াই!

মাঠের লড়াইয়ে কানাডা ৬-০ গোলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিলেও, ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের হাতাহাতি আর কোচেদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় রূপ নিয়েছে বড় বিতর্কে।

​ফুটবল মাঠে গোল উৎসব আর বিশৃঙ্খলা – একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ দেখা গেল কানাডা ও কাতারের ম্যাচে। মাঠের লড়াইয়ে কানাডা ৬-০ গোলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিলেও, ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের হাতাহাতি আর কোচেদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় রূপ নিয়েছে বড় বিতর্কে।

ম্যাচে শুরুর থেকেই কানাডা ছিল অপ্রতিরোধ্য। জোনাথান ডেভিডের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক এবং সিলেই লারিন ও নাথান সালিবার গোলগুলো কাতারের রক্ষণভাগকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে। তবে মাঠের ফুটবলের চেয়ে এদিন বেশি নজর কেড়েছে কাতারের নয়জন খেলোয়াড়ে নেমে আসা এবং একের পর এক ফাউল।

ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে দ্বিতীয়ার্ধে। কাতারের আসিম মাদিবার ভয়াবহ এক ট্যাকলের শিকার হন কানাডার ইসমায়েল কোনে। গুরুতর চোট পেয়ে তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিতে বাধ্য হতে হয়।

এর আগে প্রথমার্ধেই লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে গিয়েছিলেন কাতারের হোমাম আহমেদ। মাদিবার লাল কার্ডের পর মাঠের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি হারিয়ে ফেলে কাতার, যার রেশ ধরে ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের দিকে তেড়ে যান।

​পরিস্থিতি এতটাই নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল যে, কানাডার কোচ জেসি মার্শ এবং কাতারের কোচ জুলেন লোপেতেগুর মধ্যেও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। দুই কোচই মাঠের এই বিশৃঙ্খলা নিয়ে পরস্পরকে দায়ী করেন।

কাতার যেখানে নয়জন খেলোয়াড় নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে বাধ্য হয়েছে, সেখানে কানাডা দেখিয়েছে তাদের সামর্থ্য। লিওনেল মেসির পর এই আসরে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক করেছেন জোনাথান ডেভিড। কানাডার এই ৬-০ গোলের জয় তাদের নকআউট পর্বের টিকিট অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছে। কিন্তু এই জয় ছাপিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত মাঠের সংঘর্ষ।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link