চেক প্রজাতন্ত্রকে গুঁড়িয়ে দিল মেক্সিকো

চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো। এস্তাদিও অ্যাজটেকায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে জয়ের ফলে পরবর্তী রাউন্ডের জন্য আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে গেল স্বাগতিক মেক্সিকো।

চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো। এস্তাদিও অ্যাজটেকায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে জয়ের ফলে পরবর্তী রাউন্ডের জন্য আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।

​ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল বেশ সতর্ক এবং কৌশলী। দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া থাকলেও রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবেই শেষ হয়। চেক প্রজাতন্ত্রের ডেনিস ভিশিনস্কি আট মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মেক্সিকো আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে। ৫৪তম মিনিটে মেক্সিকোর মাকো শ্যাভেজ চেক রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। যা ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।

​গোল খাওয়ার পর চেক প্রজাতন্ত্র ম্যাচে ফেরার প্রাণপণ চেষ্টা চালায়, কিন্তু মেক্সিকোর ডিফেন্স ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত।

এর ঠিক সাত মিনিট পর ৬১তম মিনিটে জুলিআন কুইনিওনেস ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বক্সে জটলার মধ্যে থেকে সুযোগ বুঝে তিনি বল জালে জড়ালে মেক্সিকোর জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

​ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে অর্থাৎ ৯৪তম মিনিটে মেক্সিকো তাদের দাপটকে আরও বিস্তৃত করে। আলভারো ফিদালগো বক্সের কেন্দ্র থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করে দলের স্কোর ৩-০ করেন। এই গোলটি চেক প্রজাতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়।

সব মিলিয়ে, মেক্সিকো নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ঘরের মাঠে তাদের প্রিয় দলের জয়ে উৎসবের আমেজে মাঠ ছাড়ে মেক্সিকানরা।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link