ভিনি ভিডি ভিসি

বিশ্বকাপে নিজের আগমনী বার্তাটা এবার জোরেসোরেই দিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। জোড়া গোল করলেন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। ভিএআরের ফাঁদে না পড়লে, হ্যাটট্রিকটাও করে ফেলতে পারতেন।

ব্রাজিলের হয়ে তিনি নাকি গোল পান না, ব্রাজিলের হয়ে নাকি তিনি নিজের সর্বস্ব উজার করে দেন না। এমন কথা যারা বলেন, তাঁদের মুখে কুলুপ এঁটে দিলেন তিনি নিজেই। বিশ্বকাপের মঞ্চে আরও একবার তিনি হয়ে উঠলেন ব্রাজিলের স্বপ্নের সারথী।

বিশ্বকাপে নিজের আগমনী বার্তাটা এবার জোরেসোরেই দিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। জোড়া গোল করলেন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। ভিএআরের ফাঁদে না পড়লে, হ্যাটট্রিকটাও করে ফেলতে পারতেন।

আবারও ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় তিনি। বিশ্বকাপটা ব্রাজিল খেলছে মূলত ভিনিসিয়াস জুনিয়রের কাঁধে ভর করেই। তিন ম্যাচে চার গোল। সাথে এক গাদা অ্যাসিস্ট তো আছেই।

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রায় বরাবরই একজন নায়কের দরকার হয়। ১৯৭০-এর পেলে, ১৯৯৪ সালের রোমারিও, কিংবা ২০০২ সালের রোনালদো – সেই পথেই এবার হাঁটছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র।

রিভালদো ও রোনালদোর পর প্রথমবারের মত কোনো ব্রাজিলিয়ান হিসেবে টানা তিন ম্যাচে গোল করলেন তিনি। আক্ষরিক অর্থেই সার্বিক ভাবে ব্রাজিলের নেতা হয়ে উঠছেন ভিনিসিয়াস।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link