বিশ্বকাপ জয়ের পর টানা পাঁচ ম্যাচে জয়হীন ভারত

বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে যেন থমকে গেছে ভারতের টি-টোয়েন্টি যাত্রা। মার্চে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা দলটি এখন সবশেষ পাঁচ ম্যাচের কোনোটিতেই জয়ের মুখ দেখেনি। আয়ারল্যান্ডে গিয়ে দুই ম্যাচেই হার, এরপর ইংল্যান্ডের মাটিতে সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর পরের দুই ম্যাচেও একই ফল। এমন জয়হীন যাত্রা এর আগে কখনো দেখেনি ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাস।

বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে যেন থমকে গেছে ভারতের টি-টোয়েন্টি যাত্রা। মার্চে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা দলটি এখন সবশেষ পাঁচ ম্যাচের কোনোটিতেই জয়ের মুখ দেখেনি। আয়ারল্যান্ডে গিয়ে দুই ম্যাচেই হার, এরপর ইংল্যান্ডের মাটিতে সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর পরের দুই ম্যাচেও একই ফল। এমন জয়হীন যাত্রা এর আগে কখনো দেখেনি ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাস।

এই ধসের পেছনের কারণ খুঁজলে প্রথমেই চোখে পড়ে নেতৃত্বের বদল। বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদবকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শ্রেয়াস আইয়ারকে। কিন্তু নতুন এই অধিনায়ক এখনো নিজের প্রথম জয়ের অপেক্ষাতেই আছেন, আর নেতৃত্বের এই পালাবদল দলের ছন্দেও যেন কিছুটা প্রভাব ফেলেছে।

দ্বিতীয় কারণটা কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া নিয়ে। ঘরের মাঠে যে দলটা এতদিন প্রতিপক্ষকে একরকম উড়িয়ে দিয়েছে, বিদেশের মাটিতে এসে তারাই যেন খেই হারিয়ে ফেলছে। আয়ারল্যান্ড আর ইংল্যান্ডের ভিন্ন উইকেট, ভিন্ন আবহাওয়ায় ব্যাটসম্যানরা মানিয়ে নিতে সময় নিচ্ছেন, যার মাশুল দিতে হচ্ছে পুরো দলকেই। দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাটে নিজেও স্বীকার করেছেন, নতুন কন্ডিশনে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তৃতীয় কারণটা লুকিয়ে আছে ব্যাটিং লাইনআপের গঠনে। বর্তমান একাদশে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের সংখ্যা অনেক বেশি, ডানহাতি-বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের জুটি প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে প্রতিপক্ষের বোলাররা লাইন-লেংথ ঠিক রেখে সহজেই পরিকল্পনা সাজাতে পারছেন, যা কঠিন করে তুলছে ভারতের রানের গতি বাড়ানোর কাজটাও।

এসবের সঙ্গে যোগ হয়েছে ক্লান্তির প্রসঙ্গও। ফেব্রুয়ারি থেকে একটানা ক্রিকেট খেলে যাওয়া, তার ওপর আইপিএলের ধকল সামলে সরাসরি এমন কঠিন একটা সফরে আসা—এই সবকিছু মিলিয়ে দলের ওপর মানসিক আর শারীরিক চাপও কম নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এখন সিরিজ বাঁচাতে হলে বাকি দুই ম্যাচের দুটিতেই জিততে হবে ভারতকে। নইলে বিশ্বকাপ জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই টানা দ্বিতীয়বার সিরিজ হারের লজ্জা নিয়ে দেশে ফিরতে হবে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে সফল এই দলটাকে।

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link