কী খেয়ে এত গোল করেন হাল্যান্ড?

ক্লাব ফুটবলে হোক কিংবা জাতীয় দলের জার্সিতে। আক্রমণ ভাগে বল পেলেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন আর্লিং হাল্যান্ড। ৯০ মিনিটজুড়েই তার থাকে একই গতি। একই ক্ষিপ্রতা।

ক্লাব ফুটবলে হোক কিংবা জাতীয় দলের জার্সিতে। আক্রমণ ভাগে বল পেলেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন আর্লিং হাল্যান্ড। কোনো শক্তিশালী ডিফেন্ডারের ধাক্কা যেন গায়েই লাগে না তার। ৯০ মিনিটজুড়েই তার থাকে একই গতি। একই ক্ষিপ্রতা।

সকলের প্রশ্নটা তাই একটাই, কী খেয়ে এমন দানবীয় শক্তি পান আর্লিং হাল্যান্ড?

হাল্যান্ডের সবচেয়ে বড় অস্ত্র কঠোর শৃঙ্খলা। মাঠের বাইরের জীবনকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন ঘড়ির কাঁটার মতো। প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার ক্যালোরির খাবার খান তিনি। এটি একজন সাধারণ মানুষের চাহিদার প্রায় দ্বিগুণ। তবে এই অতিরিক্ত ক্যালোরির উৎস জাঙ্ক ফুড নয়। সবই প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবার।

হাল্যান্ডের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় থাকে কাঁচা দুধ, ডিম, স্টেক ও মধু। শক্তি আর পুষ্টির জন্য নিয়মিত খান গরুর হৃদপিণ্ড ও কলিজা। শরীরকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতেই এমন খাদ্যাভ্যাসে অনড় তিনি। তবে কঠোর নিয়মের মাঝেও ছোট্ট ব্যতিক্রম আছে। ভারতীয় খাবারের প্রতি তার দুর্বলতার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন কিছু সাক্ষাৎকারে এই নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড।

শরীরের যত্ন নেওয়ার ব্যাপারেও হাল্যান্ড সর্বোচ্চ সতর্ক। শুধু খাবার খেয়েই তো গোল করা যায় না, লাগে আরও অনেক কিছু। নিজ বাড়িতেই তিনি প্রায় ৫০ হাজার পাউন্ড মূল্যের ক্রায়োথেরাপি চেম্বার ব্যবহার করেন। নিয়মিত গোসল করেন বরফজলে। নেন রেড-লাইট থেরাপি। প্রতিদিন ফিজিওথেরাপি করার অভ্যাসও আছে তার।

একইসঙ্গে মেডিটেশন তার রুটিনের অংশ। ঘুমের ব্যাপারেও তুমুল কড়া এই ফরোয়ার্ড। প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা ঘুমান মুখে টেপ আটকে। এতে প্রাকৃতিক শ্বাসপ্রশ্বাসে মাংসপেশির ক্লান্তি কমে দারুণভাবে। পাশাপাশি ঘুমাতে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই রেখে দেন ডিজিটাল ডিভাইসও।

এই কঠোর জীবনযাপনই তাকে দিয়েছে অবিশ্বাস্য শারীরিক শক্তি। পেয়েছেন ‘দ্য ভাইকিং’ কিংবা ‘দ্য অ্যান্ড্রয়েড’ পরিচয়। তার এই সামর্থ্যই প্রমাণ করে মানুষ চাইলে অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে করতে পারে অসম্ভবকে সম্ভব। লিখতে পারে অমোঘ জয়যাত্রার গাঁথা।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link