এলাম, দেখলাম, জয় করলাম

দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটের আভিজাত্যমণ্ডিত এই সংস্করণে রেনশোর প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল গত আগস্টেই, বাংলাদেশের বিপক্ষে! তাও আবার অজিদের উদ্বোধনী ব্যাটিংয়ের সংকট নিরসনের উদ্দেশ্যেই। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধান পেরোনোর আগেই অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারের নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ হয়ে উঠলেন এই অজি ব্যাটার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে যেমন আবির্ভূত হয়েছিলেন দলের ত্রাণকর্তা হিসেবে, দ্বিতীয় ইনিংসেও যেন তারই পুনরাবৃত্তি! প্রথম ইনিংসে একের পর এক ব্যাটারের সাজঘরে প্রত্যাবর্তনের মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩৯০ রানে উন্নীত করতে রেখেছিলেন সবচেয়ে বড় ভূমিকা, খেলেছিলেন ক্যারিয়ারসেরা ১৯০ রানের অনবদ্য ইনিংস। ঠিক তেমনই এই ইনিংসেও সাজঘরে ফেরার আগে রেনশো তুলে নিলেন ৮২ রান!

একের পর এক উইকেট যখন পতিত হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার, ঠিক তখনই আবারও উদ্ধারকারী তরী হয়েই আবির্ভূত হলেন ম্যাট রেনশো! রেনশোর এই ইনিংসকে আপনি কীভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন? কীভাবেই বা করবেন এর বিশ্লেষণ?

তিন বছর পরে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন! নবাগতদের ভিড়ে নিজের হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধার যে সহজসাধ্য নয়, তা ভালো করেই জানতেন রেনশো। তবু প্রতীক্ষার অবসান ঘটেনি। জুলিয়াস সিজারের সেই প্রবাদপ্রতিম উক্তি, ‘এলাম, দেখলাম, জয় করলাম’-এরই যেন বাস্তব প্রতিফলন ঘটল রেনশোর প্রত্যাবর্তনে!

দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটের আভিজাত্যমণ্ডিত এই সংস্করণে রেনশোর প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল গত আগস্টেই, বাংলাদেশের বিপক্ষে! তাও আবার অজিদের উদ্বোধনী ব্যাটিংয়ের সংকট নিরসনের উদ্দেশ্যেই। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধান পেরোনোর আগেই অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারের নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ হয়ে উঠলেন এই অজি ব্যাটার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে যেমন আবির্ভূত হয়েছিলেন দলের ত্রাণকর্তা হিসেবে, দ্বিতীয় ইনিংসেও যেন তারই পুনরাবৃত্তি! প্রথম ইনিংসে একের পর এক ব্যাটারের সাজঘরে প্রত্যাবর্তনের মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩৯০ রানে উন্নীত করতে রেখেছিলেন সবচেয়ে বড় ভূমিকা, খেলেছিলেন ক্যারিয়ারসেরা ১৯০ রানের অনবদ্য ইনিংস। ঠিক তেমনই এই ইনিংসেও সাজঘরে ফেরার আগে রেনশো তুলে নিলেন ৮২ রান!

 

ইনিংসের ৫৪.৫ ওভারে কেশব মহারাজের বলে আউট হন এই অজি তারকা! অবিশ্বাস্য দক্ষতায় এক অনিন্দ্যসুন্দর ক্যাচ লুফে নিয়ে রেনশোর সাবলীল ইনিংসের যবনিকা টানলেন মহারাজ। অফ স্টাম্পের ওপর ফুল লেংথে বলটি নিক্ষেপ করেন মহারাজ! আর তখনই রেনশো সোজা ব্যাটে ড্রাইভ করতে উদ্যত হন। বলটি বোলারের ডান দিকে নিচু হয়ে আসতেই ফলো-থ্রুতে ক্ষিপ্রগতিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুই হাতে বলটি করায়ত্ত করেন মহারাজ।

সাজঘরের পথে প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তে দর্শকদের করতালিতে সিক্ত হয়ে বিদায় নেন রেনশো! এমন অনবদ্য প্রত্যাবর্তন, এমন দায়িত্বশীল ব্যাটিং আর এমন প্রত্যয়দীপ্ত লড়াইয়ের পর রেনশোকে কুর্নিশ না জানিয়েও বা উপায় কী?

Share via
Copy link