যেভাবে সূচনাটা করা প্রয়োজন ছিল, ঠিক সেভাবেই ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়লেন বাংলাদেশের দুই নির্ভরতার প্রতীক লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। চতুর্থ দিনে ক্রিজে অবিচল থেকে দুজন গড়েন ১৪৯ রানের অনবদ্য জুটি। বিশেষ করে লিটনের ব্যাটিং ছিল দৃষ্টিনন্দন। প্রথম ইনিংসে অর্ধশতকের পর দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নিলেন দুর্দান্ত শতক। অথচ এর আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টানা তিন ইনিংসে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরেছিলেন সাজঘরে। লিটনের বিদায়ের পর ৩৭২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের সামনে দাঁড়ায় ৪৭৯ রানের বিশাল লক্ষ্য।
চতুর্থ দিনে স্পিনারদের বাড়তি সহায়তার প্রত্যাশা থাকলেও উইকেটে দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররাই। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দ্বিতীয় ওভারেই আবদুল মালিককে ফিরিয়ে দেন এবাদত হোসেন চৌধুরী। উইকেটের পেছনে ক্যাচ নেন লিটন। পরে হাসান মাহমুদের বলে শহীদুল্লাহর উইকেটেও ভূমিকা রাখেন এই উইকেটরক্ষক। দিনের শেষ ভাগে সেদিকুল্লাহ আতালের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়েন আফগান অধিনায়ক রহমত শাহ। তবে ৫১ রানে তাঁকে ফিরিয়ে দেন এবাদত। রহমতের ৫১ রানের ইনিংসের সঙ্গে এবাদতের ক্যারিয়ারের ৫১তম উইকেট, সংখ্যার এই অদ্ভুত সমাপতনও হয়ে রইল দিনের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। আগের ইনিংসে অপরাজিত শতক হাঁকানো রহমত এবার থামলেন অর্ধশতকেই।

এখন পঞ্চম দিনের অপেক্ষা। হাতে সাত উইকেট রেখে আফগানিস্তানের প্রয়োজন আরও ৩৪৭ রান। বিশাল লক্ষ্য আর বাংলাদেশের পেসারদের দুর্দমনীয় ছন্দের সামনে শেষ দিনের লড়াইয়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছে টাইগাররা। এখন দেখার বিষয়, পঞ্চম দিনে কত দ্রুত প্রতিপক্ষের বাকি উইকেট তুলে নিয়ে জয় নিশ্চিত করতে পারেন বাংলাদেশের বোলাররা।










