সাইফউদ্দিন অভিযোগ: ক্ষতিপূরণের আশ্বাস এসএ পরিবহনের

সকাল সকাল মন খারাপের একটা খবর শোনালেন ক্রিকেটার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি অভিযোগ করেছেন এসএ পরিবহন (ফেনী শাখা) থেকে রাজশাহীতে দুটি ব্যাট কুরিয়ারে পাঠানোর সময় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, ভাঙা ব্যাটের ছবিও পোস্ট করেন তিনি।

সাথে এটাও উল্লেখ করেন, কোনো দায় নিতে বা ক্ষতিপূরণ দিতে নারাজ এসএ পরিবহন। যদিও, এস এ পরিবহন জানিয়েছে এই অলরাউন্ডার লিখিত অভিযোগ করলেই ক্ষতি পূরণ দিয়ে দিবেন তাঁরা।

সাইফউদ্দিন তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন সাকিব আল হাসানের কাছে থেকে পাওয়া দুটি ব্যাট ফেনী থেকে ঠিক করার জন্য রাজশাহীতে পাঠান তিনি। কিন্তু রাজশাহীতে ব্যাট হাতে পেয়ে দেখেন দুটি ব্যাটের উপরের অংশই ভেঙে গেছে। কিন্তু এই ক্ষতির দায়ভার নেবে না কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। যার ফলে মন খারাপ তাঁর।

সাইফউদ্দিন লিখেছেন, ‘জিম্বাবুয়ে সিরিজ সামনে রেখে ব্যাট পাঠিয়েছিলাম ফেনী এস এ পরিবহন থেকে রাজশাহীতে ব্যাট রিপেয়ারিং করার জন্য দুইটা ব্যাট। কিন্তু রিপেয়ার এর পরিবর্তে ব্যাট এর অবস্থা। এর দায় নিতে নারাজ ফেনী এস এ পরিবহন। মনটা এজন্যই বেশি খারাপ কারণ ব্যাটটা আমি সাকিব ভাইয়ের কাছ থেকে নিয়েছিলাম কিছু দিন আগে।’

ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে এস এ পরিবহণ ফেনী শাখায় যোগাযোগ করে খেলা ৭১। ওই শাখার প্রধান আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন জানান সাইফউদ্দিন লিখিত অভিযোগ করে কত টাকা ক্ষতি হয়েছে সেটার দাবি করলেই ক্ষতি পূরণ দিয়ে দেবে এস এ পরিবহণ। প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মেনেই ক্ষতি পূরণ পাবেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘যেখান থেকে পেয়েছে ওনাকে বলেছি অভিযোগটা ওখানে করতে। এখন ওনার দাবি যেটা, যেহেতু প্রতিষ্ঠানের জিনিস। ব্যাক্তিগত হলে দুই এক দিনের ভিতর ওনার সাথে কথা বলে সমাধান করা যেত। এখন প্রতিষ্ঠানের জিনিস। প্রতিষ্ঠানের একটা নিয়ম আছে তো। ওনাকে বলেছি আপনি একটা অভিযোগ করেন যে আপনার এতো টাকা ক্ষতি হয়েছে। তারপর প্রতিষ্ঠান সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে নেবে।’

এরকম ঘটনা কেনো ঘটলো জানতে চাওয়া হলে ফেনী শাখার প্রধান জানিয়েছেন তাদের মালামাল বহন করার গাড়ি এক্সিডেন্ট করার ফলে ক্ষতি হয়েছে। তবে তিনি দাবি করেছেন সাইফউদ্দিন অভিযোগ করেছে ব্যাট নিয়ে যাওয়ার পর। তখনই যদি করতো তাহলে ওখানকার ম্যানেজার ব্যবস্থা নিতো।

তিনি বলেন, ‘আমাদের গাড়ি এক্সিডেন্ট হয়েছে। গাড়ি এক্সসিডেন্টের কারণে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হইছে। দুর্ঘটনা হতেই পারে। আমি বলেছি সাইফউদ্দিন ভাই আপনি আসেন পরবর্তীতে সব ঠিক করে দেবো। এই সামন্য জিনিস নিয়ে এগুলো কোইরেন না। নেওয়ার পর অভিযোগ করেছেন। উনি জিনিসটা নিয়ে গেছেন। নেওয়ার পর অভিযোগ করেছেন। নেওয়ার আগেই যদি ওখানকার ম্যানেজারকে বলতো ব্যবস্থা নিতো।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link