পাঁচ ম্যাচে তিন ফিফটি সাথে এক সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে ৩৪১ রান। এক গ্লেন ফিলিপসের কাছেই বারবার অসহায় আত্মসমর্পণ করল ভারতের বোলাররা। ব্যাট থেকে যেমন আগ্রাসনের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়েছেন তেমনই ধারাবাহিকতার দিক দিয়েও কোন কমতি ছিল না। শেষ টি-টোয়েন্টিতেও ৬৫ রানের ইনিংস তারই প্রমাণ।
তিনটি অর্ধশতক ও একটি শতকের সুবাদে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও হয়েছেন ফিলিপস। ৩৪১ রান নিয়ে গড়েছেন নতুন কীর্তি। দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজের ইতিহাসে এক সিরিজে সর্বোচ্চ রানের মালিক এখন এই কিউই তারকা। পেছনে ফেলেছেন ইংল্যান্ডের ফিল সল্টকে।
ম্যাচে নামার আগে এই রেকর্ডের তালিকায় সাতজনের পেছনে ছিলেন ফিলিপস। কিন্তু ক্রিজে থিতু হওয়ার পর ব্যাটিংয়ের তাণ্ডবে একে একে পেছনে ফেলেছেন অভিষেক শর্মা, বাবর আজম, তিলক ভার্মা, স্বদেশি মার্ক চ্যাপম্যান ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের মতো তারকাদের। আর তাতেই সবার ওপরে নিজের নামটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই কিউই অলরাউন্ডার।

একজন ব্যাটার নিজের ছন্দ খুঁজে পেলে প্রতিপক্ষের জন্য কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন, গ্লেন ফিলিপস যেন তারই মূর্ত প্রতীক। ভারতীয় বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ৩৪ বলে খেলেছেন ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস। ১৭১.০৫ স্ট্রাইক রেটে সাজানো এই ইনিংসে ছিল আটটি চার ও তিনটি ছক্কার মার।
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল নিউজিল্যান্ড। দ্রুতগতিতে এগোচ্ছিল দলের স্কোরবোর্ডও। তবে ৮২ রানের মাথায় নবম ওভারে ড্যারিল মিচেল ফিরে গেলে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন ফিলিপস।
টিম সেইফার্টকে সঙ্গী করে একদিকে যেমন ইনিংসের গতি ধরে রাখেন, অন্যদিকে ভারতীয় বোলারদের ওপর চাপও ক্রমাগত বাড়িয়ে তোলেন। শেষ পর্যন্ত তাঁর ব্যাটেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।












