‘মাহেলা-সাঙ্গাকারা কেন ক্ষেপে গেলেন?’

পাতানো হয়েছিল ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল, ভারতে জেতাতে ইচ্ছা করে হেরে গেছে শ্রীলঙ্কা – এমন দাবি করেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মাহিন্দানান্দা আলুথগামাগে। তার এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেই ম্যাচ খেলা দুই কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে। লঙ্কান সরকারও ঘটনা তদন্তের ব্যবস্থা করছে।

তবে, সাবেক সেই ক্রীড়ামন্ত্রী খেলোয়াড়দের এই বিতর্কের মাঝে জড়াতেই চান না। তার মতে, এখানে সাঙ্গাকারা ও মাহেলার মত খেলোয়াড়দের ক্ষোভ প্রকাশের কিছু নেই। আর ২০১২ সালেই তিনি এই ব্যাপারে অভিযোগ করেছেন ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কাছে।

তিনি দেশটির গণমাধ্যম লঙ্কান মিররকে দাবি করেন, ম্যাচ ছেড়ে দেওয়াতে ভূমিকা ছিল কিছু কর্মকর্তার। তাঁরা, ম্যাচ ছেড়ে দিয়ে বিরাট অর্থকড়ি কামিয়ে ফেলেন, যেটা নিয়ে নতুন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন, নতুন গাড়ি কেনেন।

তিনি বলেন, ‘মাহেলা বলেছেন যে মাত্রই নাকি সার্কাস শুরু হল। আমি বুঝতে পারছি না, সাঙ্গা আর মাহেলা কেন এটা নিয়ে এত ক্ষেপে যাচ্ছে। আমি তো কোনো খেলোয়াড়ের দিকে কোনো অভিযোগ ছুড়িনি।’

ওয়াংখেড়ের সেই ফাইনালে ১০ বল বাকি থাকবে ছয় উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। সেই ম্যাচ নিয়ে অবশ্য সন্দেহ আগেও ছিল। ২০১৭ সালেই শ্রীলঙ্কার ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা দাবি করেন, ম্যাচটায় সন্দেহ করার মত অনেক উপকরণই ছিল।

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link