রেফারির সাহায্য পাওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন জিদান

আগের ম্যাচেই রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে একটা গোল বাতিল হয়েছিলো ভ্যালেন্সিয়ার। এরপর কোচ আলবার্ত সেলাদেস বাতিল হওয়া গোল নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছিলেন। এরপর জেরার্ড পিকের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য বিতর্কের আগুনে আরেকটু হাওয়া দেয়। রেফারিদের সাহায্য পাওয়া নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান। 

রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠে তার দল মাঠে নামবে আগামীকাল। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে সে প্রসঙ্গ উঠতেই জিদানের সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘কালকের ম্যাচটাই আমার মনোযোগের কেন্দ্রে আছে। আমার নিজস্ব মতামত আছে, কিন্তু সেটা প্রকাশ করবো না। সবাই সবার মতো করে ভাবতে পারে।’

বাস্ক দলটার বিপক্ষে জিতলেই তিন রাউন্ড পর আবারও পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে যাবে রিয়াল মাদ্রিদ। জিদান জানালেন আপাতত সেখানেই মনোযোগ দিচ্ছে তার দল, ‘আমরা আপাতত আগামী ম্যাচটা নিয়েই ভাবছি। কারণ এটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটাই সত্যি। আমরা চাই মাঠেই খেলতে। আমি এমনই, এটাই আমার জীবনের ধরণ। আমার জীবনে প্রভাব ফেলে এমন সবকিছু থেকেই সুবিধা ভোগ করতে চাই আমি। আমি ভাগ্যবান কারণ আমার পছন্দের কাজটাই আমি করতে পারছি, সবাই এমনটা বলতে পারে না।’

‘যখন আপনি কোচ, তখন সংবাদ সম্মেলনে একটা বাজে বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে কোন কিছু বদলে যাবে না। আমি শুধু বলবো, রেফারিরা আমাদের সাহায্য করছেন না।’

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link