ওয়ার্নারের বুড়ো হাড়ের ভেলকিতে পরাস্ত লাহোর!

দীর্ঘ সময় পর্যন্ত মনে হচ্ছিল এই ম্যাচ বের হয়ে গেছে করাচির হাত থেকে। কিন্তু, ওয়ার্নারের মাথায় ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে দিয়েছেন অনকদিন হলো। কিন্তু, ডেভিড ওয়ার্নার ভুলে যাননি ক্রিকেটটা। লাহোর কালান্দার্সের বিরুদ্ধে বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখিয়ে করাচি কিংসকে এনে দিয়েছেন দুর্দান্ত এক জয়।

এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৮ রানে ওপেনার মোহাম্মদ ফারুক ফিরলেও খুব বেশি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি লাহোর কালান্দার্সকে। কারণ, তখন দলের হাল ধরেছিলেন ফখর জামান আর আব্দুল্লাহ শফিক।

এই ম্যাচেও নিজের ধারাবাহিকতার প্রদর্শন করেন ফখর। তুলে নেন অর্ধশতক। ৬২ রান আসে শফিকের ব্যাট থেকে। বাকি ব্যাটারদের কার্যকরী ইনিংসে ভর করে লাহোর জমা করে ১৯৯ রান।

২০০ রান তাড়া করতে নেমে এক প্রান্তে অটল হয়ে ছিলেন করাচির অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। কিন্তু, তাঁকে যথাযোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি জেসন রয়, রেজা হেনড্রিকস, সালমান আলি আঘারা কেউই।

ওয়ার্নার থেমে যাননি। অপরাজিত থেকে খেলেন ৪৪ বলে ৬৩ রানের ইনিংস। মঈন আলি খেলেন ১৭ বলে ৩৯ রানের ইনিংস। তবে, আসল তান্ডব চালান খুশদিল শাহ। ১৪ বলে ৫ ছক্কায় করেন ৪৪ রান। তাতেই পাঁচ উইকেটের জয় পায় করাচি।

দীর্ঘ সময় পর্যন্ত মনে হচ্ছিল এই ম্যাচ বের হয়ে গেছে করাচির হাত থেকে। কিন্তু, ওয়ার্নারের মাথায় ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা। তাই তো, ২০০ রানের বিশাল লক্ষ্য অনায়াসে পার করেছে করাচি।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link