ঘরের মাঠে চেন্নাইয়ে বিধ্বস্ত মুম্বাই!

মুম্বাইয়ের বোলারদের তুলোধুনো করে পুরো বিশ ওভার খেলেন সাঞ্জু। তুলে নেন এবারের আসরে তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

ব্যাট হাতে শতরান করে অর্ধেক কাজটা করে দিয়েছিলেন সাঞ্জু স্যামসন। বল হাতে বাকি অর্ধেক করে দিলেন আকিল হোসেন। চেন্নাই সুপার কিংসের এই দুইজনের কাছেই পর্যদুস্ত হতে হলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে।

ওয়াংখেড়েতে ব্যাট করতে নেমে বড় কিছুর আগমনী বার্তা দিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি সিএসকের অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। শিভম দুবে কিংবা সরফরাজ খান, কারো ব্যাটই হাসেনি। ভাগ্যিস তখন চেন্নাইয়ের জন্য একজন সাঞ্জু ছিলেন।

মুম্বাইয়ের বোলারদের তুলোধুনো করে পুরো বিশ ওভার খেলেন সাঞ্জু। তুলে নেন এবারের আসরে তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। সাঞ্জুর ১০১ রানে ভর করে চেন্নাই গড়ে ২০৭ রানের বিশাল সংগ্রহ।

হিটম্যান রোহিত শর্মাকে ছাড়া ২০৮ রান তাড়া করতে নেমে একের পর এক উইকেটেরই পতন দেখতে হয়েছে মুম্বাইকে। সুরিয়াকুমার যাদব আর তিলক ভার্মা ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেললেও সেগুলো দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করতে পারেনি।

ক্যারাবিয়ান স্পিনার আকিল হোসেন একাই ধ্বস নামান মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ে। মাত্র ১৭ রানের বিনিময়ে শিকার করেন চার উইকেট। যাওয়া আসার মিছিলে মুম্বাই গুটিয়ে যায় মাত্র ১০৪ রানে। চেন্নাই পায় ১০৩ রানের বিশাল জয়।

দুই দলই পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন। চেন্নাই শুরুটা বাজে করলেও মুম্বাইয়ের যেন কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। বড় বড় নাম নিয়ে ঘরের মাঠে মুম্বাই পরিণত হয়েছে এমন এক অসহায় বাঘে, যার কোনো শক্তি নেই গর্জন তোলার।

 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link