৯১৬ দিনের অপেক্ষা শেষে

শততম ওয়ানডে ম্যাচটা ভুলেই যেতে চাইবেন লিটন দাস। তবে চাইলে শততম ওয়ানডে ইনিংসটা মনে রাখবেন তিনি। ৯১৬ দিনের অচলায়তন ভেঙে এই ইনিংসেই তো তিনি পেলেন বহুল প্রতীক্ষিত এক হাফ সেঞ্চুরি।

শততম ওয়ানডে ম্যাচটা ভুলেই যেতে চাইবেন লিটন দাস। তবে চাইলে শততম ওয়ানডে ইনিংসটা মনে রাখবেন তিনি। ৯১৬ দিনের অচলায়তন ভেঙে এই ইনিংসেই তো তিনি পেলেন বহুল প্রতীক্ষিত এক হাফ সেঞ্চুরি।

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মিরপুরে মাত্র সাত রানে ফিরে যান, যদিও এর আগের তিনটা ইনিংসেই রানটা ৪০-এর ওপর গিয়েছিল। তারপরও লিটনের কাছ থেকে বড় একটা ইনিংসের প্রত্যাশা ছিল, ছিল অপেক্ষা।

সেই অপেক্ষার অবসান হল চট্টগ্রামে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে – ঠিক তখন, যখন দল হিমসিম খাচ্ছে নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে। মাত্র ৩২ রানের মধ্যে সাজঘরে ফিরে গেছেন তিন ব্যাটার।

লিটন দাস মেটালেন পরিস্থিতির চাহিদা। নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে মনে রাখার মত একটা জুটি গড়লেন। বাংলাদেশকে বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন। হাফ সেঞ্চুরি চলে আসল।

এরপর পরিস্থিতি বুঝে হাত খুলতে শুরু করলেন। চার-ছক্কার ঝড় যখন আসতে শুরু করছিল, তখনই ফিরলেন সাজঘরে। ৯১ বল খেলে করেন ৭৬ রান। মাত্র তিনটি চার আর একটি ছক্কার ইনিংস।

৭১ তম ডেলিভারিতে যখন হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছান, ততক্ষণে হাকিয়েছেন মাত্র দু’টো বাউন্ডারি। সিঙ্গেল-ডাবলের ওপর ভিত্তি করে ইনিংস গড়েন। মোটেও লিটন সুলভ ইনিংস নয়, তবে বিপদের সময় এই ইনিংসটাই মনি-মুক্তার চেয়ে দামি বাংলাদেশের জন্য।

Share via
Copy link