বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফরও স্থগিত

করোনা ভাইরাসের প্রকোপে বাতিল কিংবা স্থগিত হওয়া ক্রিকেট সিরিজের তালিকায় আরেকটা সিরিজ এবার যোগ হল। আগামী মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা থাকলেও আপাতত সেটা হচ্ছে না।

ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি এক বিবৃতিতে এই খবর নিশ্চিত করে। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে এই সফরে তিনটি টেস্ট খেলার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটও (এসএলসি) সিরিজ স্থগিতের ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আমাদের জানিয়েছে যে এখনো আমরা সেই অবস্থানে পৌঁছায়নি যেখানে খেলোয়াড়রা এসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারে। আর কোভিড ১৯ মহামারীর কারণে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতিও ঘাটতি আছে। ফলে, পরিকল্পনা মাফিক ২০২০ সালের জুলাইয়ে সিরিজটি আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। দুই পক্ষের সমঝোতারর ভিত্তিতে পরবর্তীতে সিরিজটি আয়োজন করা হবে।’

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ড দলে সফর স্থগিত করা হয়। গেল মার্চ মাস থেকে ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশের সকল খেলাধুলা বন্ধ। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ প্রথম রাউন্ড শেষে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর ও আয়ারল্যান্ড সফর বাতিল হয়েছে। অস্ট্রেলিয়াও জানিয়ে দিয়েছে যে, তাঁরা আসবে না। চলতি বছর এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেসবও হবে কি না সন্দেহ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link